কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রোগ্রামের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা এমন কিছু নতুন ভাইরাল জিনোম তৈরি করেছেন, যা প্রকৃতির বিদ্যমান যেকোনো ভাইরাসের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। এই কৃত্রিম ভাইরাসগুলো নির্দিষ্ট হোস্ট বা পোষকদেহে আক্রমণ করতে সক্ষম। বিজ্ঞানের এই অভাবনীয় অগ্রগতি চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখালেও, এর সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, এআই টুল ‘ইভো’র ভাষা শেখার মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে জেনেটিক সিকোয়েন্স। ঠিক যেভাবে চ্যাটজিপিটি এবং অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলকে বিদ্যমান বিপুল তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, একইভাবে এই টুলটি কাজ করেছে।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং আর্ক ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা এই এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর অধীনে হাজার হাজার জিনোম সমন্বয় তৈরি করেন। এরপর গবেষণাগারে এআই-তৈরি হাজার হাজার জিনোমের মধ্য থেকে প্রায় ৩০০টি ভাইরাস তৈরি করে পরীক্ষা চালানো হয়। এই পরীক্ষার পর বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, এর মধ্যে ১৬টি ছিল কার্যকর বা জীবন্ত ভাইরাস।