নোয়াখালীতে র্যাব-১১ এবং সিপিসি-৩ এর পৃথক অভিযানে তিনটি পৃথক হত্যা মামলার তিন অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু এই তথ্য নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মামুন (৪২), মো. ফুরকান আলী (৩১) ও মো. আবু সাইদহ ওরফে সাবিনুর (৪৫)।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, মামুনকে বেগমগঞ্জের আমানউল্লাপুর ইউনিয়নের খেমচন্দ্রপুর বড় বাড়ির সামনে থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম (৫৭)-কে হত্যার মামলার আসামি। গত বছরের ২৬ নভেম্বর টাকা-পয়সার বিরোধের জেরে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে আব্দুর রহিমকে মারধর করা হয়, যার ফলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, সোনাইমুড়ীর বারগাঁও ইউনিয়নের কালারাইতা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয় ফুরকান আলীকে। যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী আখি আক্তারকে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিনি প্রধান আসামি।
এছাড়া, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের হানুবাইশ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে গ্রেপ্তার করা হয় আবু সাইদহ ওরফে সাবিনুরকে। তার বিরুদ্ধে শাজাহানপুরে সোহাগ (২৫) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, এসব মামলার পর থেকেই আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।