সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলনের সময় অভিযান চালিয়ে আটজনকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় বালু ও পাথর বোঝাই তিনটি নৌকাও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হুরারকান্দা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন—সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের কামারটুর গ্রামের মো. আব্দুল্লাহর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৭), আব্দুল সোবহান মিয়ার ছেলে সুজাত মিয়া (২২), উজান সাফেলা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. রুপায়ন মিয়া (২৪), জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. বাহাউদ্দিন মিয়া (২২), আব্দুল মতিনের ছেলে আমিনুর রহমান (২০), মৃত মিছির আলীর ছেলে এরশাদ আলী (৪৫), মৃত রহমত আলীর ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (২৮) ও মো. জাকির হোসেন (২৫)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইজারাবিহীন ধোপাজান চলতি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলনের খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আটজনকে আটক করা হলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও সাতজন নৌকা নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এই ঘটনায় আটক আটজনসহ মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চালবন গ্রামের মৃত তালেব মোড়লের ছেলে হান্নান মিয়া (৪৫), এরশাদ মিয়ার ছেলে নুর জামাল (৩৪), সহীদ মিয়ার ছেলে জহুর মিয়া (৩৫), ভাদেরটেক গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে রুকন মিয়া (৪৫), মৃত আব্দুল আলীর ছেলে সহীদ মিয়া (৪৫), মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে কাশেম মিয়া (৪০) এবং মনিপুরি হাটির রশিদ মিয়ার ছেলে রকি মিয়া (২৬)।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, "ধোপাজান চলতি নদী একটি বালুমহাল, তবে এ বছর নদীর বালুমহাল ইজারা দেওয়া হয়নি। কিন্তু কিছু লোক অবৈধভাবে নদী থেকে বালু ও পাথর তুলে নিচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনটি নৌকাসহ আটজনকে আটক করে। এ সময় আরও সাতজন নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় আটককৃতদের সহ মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"