রংপুর মহানগরীর বেশ কিছু ফিলিং স্টেশনে নির্ধারিত মূল্য আদায় করা হলেও পরিমাপে তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রতি ১০ লিটার অকটেন, ডিজেল ও পেট্রোলে ৫০ থেকে ১৪০ মিলিলিটার পর্যন্ত তেল কম দিয়ে ভোক্তাদের প্রতারিত করা হচ্ছে। এই অভিনব কারসাজি রোধে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও জেলা প্রশাসন যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে রংপুর নগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়ে অবস্থিত ‘মেসার্স সিটি ফিলিং স্টেশনে’ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়। অভিযানে হাতেনাতে ধরা পড়ে তেল চুরির বিষয়টি। দেখা যায়, ওই স্টেশনটি প্রতি ১০ লিটার অকটেনে ১৪০ মিলিলিটার তেল কম দিচ্ছে।

ভোক্তাদের সাথে প্রতারণার এই অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিনা কবির ও কাজী মো. শাহান।

একই দিনে ভ্রাম্যমাণ দলটি নগরীর কাচারি বাজার এলাকায় ‘মেসার্স তাজীজ ফুডস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ এবং ‘আল মদিনা লাইভ বেকারি’ পরিদর্শন করে। সেখানে হোয়াইট ব্রেড ও বিস্কুট পণ্যের জন্য বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স এবং মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই রংপুরের ফিল্ড অফিসার (সিএম) মারুফা বেগম, পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মো. আলমাস মিয়া ও মো. নাসির উদ্দিন। বিএসটিআই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।