যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একটি রেস্তোরাঁয় আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিমকে ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পশ্চিম লন্ডনের ওই রেস্তোরাঁয় বসে থাকা সাবেক মন্ত্রীর কাছে গিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি তার সরকারের আমলের গুম, হত্যা, দুর্নীতি এবং ছাত্র-জনতার ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে প্রশ্ন করেন। তবে ভিডিওতে তাকে এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দিতে দেখা যায়নি।
ছাত্রদলের নেতাদের দাবি, সংগঠনের সাবেক সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম রিবলুর নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের ভাষ্যমতে, খবর পেয়ে তারা ওই রেস্তোরাঁয় যান এবং শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে সংঘটিত গুম, হত্যা ও দুর্নীতির ঘটনায় সাবেক মন্ত্রীর ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চান। তবে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে একপর্যায়ে সেখানে উপস্থিত অন্যদের সহায়তায় স্থান ত্যাগ করেন।
ছাত্রদল নেতারা আরও দাবি করেছেন যে, এর আগে একই এলাকায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গেও তাদের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল এবং সেখান থেকেও তিনি দ্রুত সরে যান।
এই প্রসঙ্গে ছাত্রদল নেতারা বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে পশ্চিম লন্ডনের আনান সেন্টারের রেস্টুরেন্টে যাই। ফ্যাসিস্টের দোসর দেশ থেকে টাকা লুটপাট করে লন্ডনে পালিয়েছে। তাকে শেখ হাসিনার সাথে থেকে গুম, হত্যা, এনসিপি, বিএনপিসহ সাধারণ জনগণকে হত্যার বিষয়ে প্রশ্ন করলে সে কোনো উত্তর দিতে পারেনি। পরে কতিপয় লোকের সহায়তায় পালিয়ে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিছুদিন আগে সাবেক মন্ত্রী হাসান মাহমুদকে পেয়েছি। তাকে ধরার পর সেও পালিয়েছে।’