জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম দাবি করেছেন, তারেক রহমানের সিগন্যাল এবং স্থানীয় বিএনপির সবুজ সংকেত ছাড়া যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালাতে পারত না। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সারজিস আলম জানান, উপজেলার ‘পাঁচ মাইল’ এলাকায় দুপুরের খাবার খেতে যাওয়ার সময় তাদের ওপর রড ও চাপাতি নিয়ে হামলা চালানো হয়। এই হামলার যাবতীয় ভিডিও প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, "শেখ হাসিনা ছিল রক্তপিপাসু, আর তারেক রহমানের লোকজন এখন হয়ে উঠেছে চোখপিপাসু। হবিগঞ্জে একজনের চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে, আর এখানেও চোখে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়েছে।"

বিএনপিকে সতর্ক করে সারজিস আলম আরও বলেন, "অন্য কোনো রাজনৈতিক দলকে দাঁড়াতে না দেওয়ার জন্য বিএনপি যদি শেখ হাসিনার মতো পথ অনুসরণ করে, তবে তাদের পরিণতি শেখ হাসিনার চেয়েও ভয়াবহ হবে।"

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় সারজিস আলম ও ডা. মাহমুদা মিতুকে বহনকারী গাড়িবহর প্রথম দফায় হামলার শিকার হয়। এর আনুমানিক ২০ মিনিট পর উপজেলার পাঁচ মাইল বাজার এলাকায় দ্বিতীয় দফায় তাদের ওপর আবারও হামলা চালানো হয়।

সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ আলম জানান, পূর্বনির্ধারিত একটি বাসায় দুপুরের খাবারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে এনসিপির গাড়িবহরটি পাঁচ মাইল বাজার এলাকায় পৌঁছালে এই হামলার মুখে পড়ে।