চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ সেই দোকানের সামনে আসে যৌথ বাহিনীর তিনটি গাড়ি। এ সময় দোকান থেকে কৌশলে বের হয়ে পাশের একটি মাছের ঘেরে লাফ দেন তিনি। তবে সেখানে আটকে পড়েন কাদায়। এ সময় যৌথ বাহিনীর কয়েকজন সদস্য কাদায় নেমে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম দিদারুল হক সিকদার। তিনি কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া প্রায় এক যুগ ধরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে ছিলেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিদারুল হক সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমের অনুসারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। ২০১১ ও ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০২১ সালে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান হন। তখন দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।

চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ হোসেন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, দিদারুল হক সিকদার হত্যাসহ তিনটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এর মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে হত্যার মামলাও রয়েছে। তাঁকে অনেক দিন ধরে খুঁজছিল পুলিশ।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, গ্রেপ্তার দিদারুল হককে আজ শনিবার চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।