নিজের ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যয় করে গত পাঁচ বছর রাজনীতি করেছেন বলে দাবি করেছেন নওগাঁ ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলে হুদা বাবুল। সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠের ধারাবাহিক অনুষ্ঠান 'আলাপনে' এসে তিনি এসব কথা বলেন।

ফজলে হুদা বাবুল জানান, রাজনীতির প্রয়োজনে তিনি নিজের জমি ও ফ্ল্যাট পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, "রাজনীতির জন্য নিজের ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যয় করেও তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন এবং তাদের আইনি লড়াইয়ের খরচ বহন করেছেন।"

২০১৪ সালের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, সে সময় তার উপজেলায় ৭৩ জন নেতাকর্মী দ্রুত বিচার আইনে আড়াই মাস কারাভোগ করেন। এই নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, "হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত তাদের জামিন ও মামলার যাবতীয় খরচ তিনি নিজের কর পরিশোধিত ও বিদেশ থেকে পাঠানো (রেমিটেড) অর্থ থেকে বহন করেছেন।"

তিনি মনে করেন, এই ত্যাগ এবং নেতাকর্মীদের আস্থার কারণেই তিনি আজ সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

নিজের পেশাগত জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গত পাঁচ বছর চাকরি ছেড়ে শতভাগ সময় রাজনীতিতে দিয়েছেন। এই দীর্ঘ সময়ে জীবনযাপন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যয় মেটাতে তাকে পৈত্রিক জমি ও ঢাকার ফ্ল্যাট বিক্রি করতে হয়েছে। একসময় উচ্চ বেতনে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করলেও রাজনীতির পেছনে সব ব্যয় হয়ে যাওয়ায় কোনো সঞ্চয় করতে পারেননি বলে জানান তিনি।

এছাড়া মামলার কারণে দীর্ঘদিন নিজের বাড়িতে থাকতে পারেননি ফজলে হুদা বাবুল। গ্রেপ্তার এড়াতে তাকে বিভিন্ন হোটেলে এবং সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন থানার আওতায় আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।