ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক পরিবেশের কথা উল্লেখ করে সাবেক সভাপতি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন দাবি করেছেন, সেখানে কেউ সিগারেট খান—এমনটি কল্পনাও করা যায় না। সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠের ধারাবাহিক অনুষ্ঠান 'আলাপনে' এসে তিনি এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, সংগঠনের সদস্যদের অত্যন্ত সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করতে হয় এবং সব ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকতে হয়। তিনি বলেন, "সংগঠনের সদস্যদের সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করতে হয় এবং নেশাজাতীয় সব ধরনের দ্রব্য থেকে বিরত থাকতে হয়।"
সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও পরিচালনা পদ্ধতি বর্ণনা করে তিনি জানান, ছাত্রশিবির মূলত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আদলে পরিচালিত হয়। এখানে প্লে থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের জন্য আলাদা সিলেবাস রয়েছে। কোনো ছাত্রকে সাথী বা সদস্য হিসেবে মনোনীত করার আগে তার বন্ধু-বান্ধব এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হয়, যাতে তার চারিত্রিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া শিবিরের সদস্যরা নিয়মিত তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করেন এবং কোরআন ও সাহিত্য অধ্যয়ন করেন বলে তিনি জানান।
সিগারেট পানের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, শিবির বা জামায়াতে যোগ দেওয়ার জন্য সিগারেট না খাওয়া কোনো পূর্বশর্ত নয়। তবে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সুন্দর পরিবেশে আসার এক সপ্তাহের মধ্যেই অনেকেই এই অভ্যাস ত্যাগ করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "শিবিরের সঙ্গে যারা থাকেন, তাদের কেউ সিগারেট পান করেন, এমনটি কল্পনাও করা যায় না।"
নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন আরও বলেন, ভোটাররা সব সময় উচ্চ নৈতিক চরিত্রের অধিকারীদের প্রাধান্য দেন। আর এই কারণেই সংগঠনে মাদক বা নেশার কোনো স্থান নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।