জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের দিন ব্যাটিংয়ে নিজেদেরই বিশ্বরেকর্ড ছুঁয়েছে ভারত। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২১৯ রান তুলে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ২০০ ছাড়ানো দলীয় সংগ্রহের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে তারা।
২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত নয়বার টি-টোয়েন্টিতে ২০০ কিংবা তার বেশি রান করেছে ভারত। এর আগে ২০২৪ সালেও সমান নয়বার দুই শ ছাড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিল দলটি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ গড়ে নিজেদের সেই রেকর্ডই স্পর্শ করেছে ভারত।
এক বছরে ভারত ছাড়া পূর্ণ সদস্য কোনো দল ছয়বারের বেশি দুই শ ছাড়াতে পারেনি। ২০২২ সালে ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা ছয়টি করে ২০০ ছাড়ানো সংগ্রহ পেয়েছিল। ২০২৪ সালে একই কীর্তি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সব মিলিয়েও টি-টোয়েন্টিতে ভারতের দুই শ ছাড়ানো সংগ্রহের সংখ্যা এখন ৫২টি, যা যেকোনো দলের মধ্যে সর্বোচ্চ। তালিকার দ্বিতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা দুই শ পার করেছে ২৯ বার।
শনিবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য স্বস্তির ছিল না ভারতের। দলীয় ২৯ রানের মধ্যেই ফিরেছিলেন অভিষেক শর্মা ও বৈভব সূর্যবংশী। আগের ম্যাচে রেকর্ড গড়া ফিফটি পাওয়া সূর্যবংশী এবার ৯ বলে ২০ রান করে আউট হন।
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ঈশান কিষান ও অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার তৃতীয় উইকেটে যোগ করেন ৬৬ রান। এরপর তিলক বর্মাকে সঙ্গে নিয়ে জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন ঈশান।
মাত্র ৪৪ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলেন ঈশান। তিলক অপরাজিত থাকেন ২৯ বলে ৬০ রান করে। দুজনের চতুর্থ উইকেটের জুটিতে মাত্র ৪৪ বলে আসে ৯৪ রান। শেষ পাঁচ ওভারে ৬১ রান তুলে ভারতের সংগ্রহ পৌঁছে যায় ৫ উইকেটে ২১৯ রানে।
জবাবে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। উদ্বোধনী ব্যাটার ব্রায়ান বেনেট ১৯ বলে ৩২ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি বড় পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। ১৭ দশমিক ৫ ওভারে ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকেরা।
অভিষেক শর্মা ১৭ রান দিয়ে নেন তিন উইকেট। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা যশ ঠাকুরের শিকার দুটি। শেষ পর্যন্ত ৯০ রানের জয় পায় ভারত। রয়টার্স
এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্যভাবে এগিয়ে গেছে ভারত। প্রথম ম্যাচে সাত উইকেটে জেতা দলটি এক ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত করেছে সিরিজ। রোববার একই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে শেষ টি-টোয়েন্টি।