শুটিং না থাকলে বদলে যায় জান্নাতুল সুমাইয়া হিমির দৈনন্দিন জীবন। অবসরে কী করেন, সেটাই জানালেন অভিনেত্রী।

১. শরীরচর্চা
শুটিং থাকলে নিয়মিত শরীর চর্চা করা হয়ে ওঠে না। কখনো সময় মিললেও পরবর্তী কাজের জন্য হয়ে ওঠে না। কিন্তু শুটিং না থাকলে নিয়ম করে শরীর চর্চা করেন এই অভিনেত্রী। হিমি বলেন, ‘অবসর বা ছুটি পেলেই ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করতে চলে যাই। দুই থেকে তিন ঘণ্টা ব্যায়াম করি। এটা আমাকে মানসিকভাবে চাঙা রাখে।’

২. সিনেমা-সিরিজ দেখা
সময় পেলেই নেটফ্লিক্স কিংবা দেশের প্ল্যাটফর্মগুলোর আলোচিত কাজগুলো দেখে নেওয়ার অভ্যাস। হিমি জানালেন, আলোচিত কাজগুলো সম্পর্কে সব সময় খবর রাখেন। কিন্তু শুটিং থাকায় দেখা হয় না। সেগুলোই ছুটির দিনে অবসরে দেখতে বসেন। এখন যেমন অপূর্ব অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ও বেশ কিছু কাজ তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে, সেগুলো দেখার পরিকল্পনা রয়েছে।

.

৩. ঘুম
শুটিং থাকলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তবে সেটা শুটিংয়ে যাওয়ার সময় ও শুটিংয়ের ফাঁকে পুষিয়ে নিলেও ছুটির দিনগুলোতে ঘুমের দিকে আলাদা নজর থাকে। বললেন, ‘এমনিতেই বেশি রাত করে ঘুমাই। ঘুম থেকে দেরি করে উঠতে হয়। এখন খেলা দেখার জন্য আরও ঘুমের সময়ের তারতম্য হচ্ছে। যে কারণে শুটিং না থাকলে ঘুমের জন্য আলাদা সময় রেখে দিই।’

.

৪. বিড়ালের সঙ্গে আড্ডা
অভিনেত্রী হিমির তিনটা বিড়াল রয়েছে। শুটিংয়ের কারণে তাদের সঙ্গে ঠিকমতো সময় কাটানো হয়ে ওঠে না। যে কারণে শুটিং না থাকলে তিনটা বিড়ালের সঙ্গে সময় কাটান। ‘আমার বিড়ালগুলো খুবই কিউট, অনেক আদুরে। ওদের সঙ্গে সময় কাটাতে অনেক ভালো লাগে। শুটিং থাকলে ওদের তো কাছেই পাই না। যে কারণে ছুটির দিনে আলাদা যত্ন নিই,’ বলেন হিমি। তিনি আরও জানালেন, কখনো কখনো শুটিংয়ে একটি করে বিড়াল নিয়ে যান, ‘কিন্তু দেখা যায় তারা শুটিংয়ে লাইট ক্যামেরার সামনে কমফোর্ট ফিল করে না। ভয় পায়। যে কারণে বাসাতেই তাদের সময় দেওয়া হয়।’

.আমি রোমান্টিক গল্প পছন্দ করি: হিমি.

৫. রাস্তার কুকুরের সেবা
‘আমি শুটিংয়ে থাকলেও আম্মু নিয়মিত রাস্তার কুকুরের জন্য খাবার রান্না করে। সেগুলো বাবা কুকুর বা বিড়ালদের ভাগ করে খাওয়ান। শুটিং না থাকলে বাবার সঙ্গে রাস্তার কুকুরদের খাবার নিয়ে আমিও বের হই। এটা আমার বাঁধা কাজ।’

জান্নাতুল সুমাইয়া হিমির কথায়, ‘এই পাঁচটি কাজ আমাকে রিলাক্স রাখে, এর মধ্যে দিয়ে আমি স্বস্তি পাই, চাঙা থাকি।’