জহুরুল ইসলাম (৫০) আর মাদক সেবন করতে চান না। কিন্তু নেশার কবল থেকে তিনি বের হতে পারছিলেন না। তিন দিন ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ধরনা দিচ্ছিলেন, যাতে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। অবশেষে আজ বুধবার তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিকেলে তাঁকে পাঠানো হয় কারাগারে।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ওই সাজা দেন। জহুরুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামে। আগে মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলে ছিলেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউএনও ইসরাত জাহান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, জহুরুল ইসলাম ও তাঁর সঙ্গে তাঁর পরিবারের একজন সদস্য এসেছিলেন। তাঁরা এসে বলেছেন, জহুরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হোক। তারপর তাঁকে ওই দণ্ড দেওয়া হয়।
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, জহুরুল ইসলাম নিজ উদ্যোগে ইউএনও অফিসে গিয়ে সংশোধন হবেন বলে জানান। তিনি বলেন, তিনি আর নেশা করতে চান না। তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হোক। সংশোধন হতে চাচ্ছেন কি না, তা বোঝার জন্য তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। বুধবারও তিনি আসেন। তখন ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাঁকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ড দিয়েছেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।






