যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে জাতীয় সংসদে ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোটে অংশ নিতে বারণ করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ সোমবার অর্থবিলের দফাওয়ারি সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তির সময় তাঁকে ভোটাভুটিতে অংশ না নিতে বলেন স্পিকার।
আমিনুল হক টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী, তিনি সংসদ সদস্য নন। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে পারলেও ভোট দিতে পারেন না। অর্থবিলের সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তির সময় ভোটাভুটিতে আমিনুল হকের অংশগ্রহণের বিষয়টি নজরে এলে স্পিকার তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
আমিনুলের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘ইউ ক্যান নট ভোট ফর নাইদার ইয়েস নর নো। কারণ, আপনি দুঃখজনকভাবে নির্বাচিত নন। আপনি সংসদে থাকলে (সংসদ সদস্য) আরও খুশি হতাম। তবে এসব ভোটিংয়ে অংশগ্রহণ করবেন না অনুগ্রহ করে।’
প্রস্তাবিত বাজেটের মন্ত্রণালয় ও বিভাগওয়ারি মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোট নেওয়ার সময় বিরোধী দলের সদস্যদের কণ্ঠস্বর ক্ষীণ হওয়া নিয়ে হাস্যরস করেছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোটে বিরোধী বেঞ্চের পক্ষ থেকে ‘না’ ধ্বনি কিছুটা ক্ষীণ ছিল।
তখন হাসতে হাসতে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আওয়াজ কম। আওয়াজ কম। বোঝা গেছে, টায়ার্ড সবাই, আওয়াজ কম। আমরা তাড়াতাড়ি শেষ করব। ডোন্ট ওরি।’
পরে বৈঠকের শেষ পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী পয়েন্ট অব অর্ডারে ডেপুটি স্পিকারের ‘আওয়াজ কম’ মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আওয়াজ কার বড়, কার ছোট, তা মাপার জন্য একটি মেশিন বসানো যেতে পারে।
কিছুটা হাস্যরস করে জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আপনি যদি বড় করে বলতে বলেন আর সাথে সাথে যদি বলেন, আওয়াজ বড় হলে সংখ্যায় যা হবে হোক, আমরা অবশ্যই আওয়াজ বড় হলেই পাস করব। এটা যদি বলেন, তাহলে আওয়াজটা কী হয়, এটা একটু পরীক্ষা করে দেখবেন আগামীকাল।’






