বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে কোনো কথাই বলেননি বিএনপির সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ। বক্তৃতার জন্য নির্ধারিত সময় শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ওই সদস্যকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি তো বাজেট নিয়ে কোনো কথাই বলেন নাই।’

এরপর সুলতান আহমদকে স্পিকার আরও দুই মিনিট সময় দেন। তবে ওই দুই মিনিটেও তিনি বাজেট নিয়ে কিছু বলেননি।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনার জন্য সুলতান মাহমুদের জন্য বরাদ্দ ছিল সাত মিনিট। এ সময়ে তিনি মূলত তাঁর দল বিএনপি, বিএনপির নেতা এবং নিজের এলাকা নিয়ে কথা বলেন।

সময় শেষ হয়ে এলে সুলতান মাহমুদ স্পিকারকে অনুরোধ করেন, যেন তাঁর সময় আরেকটু বাড়ানো হয়। তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনি তো বাজেট নিয়ে কোনো কথাই বলেন নাই। দুই মিনিটে আপনার বক্তব্য শেষ করুন।’

পরে সুলতান মাহমুদ বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষ তাঁকে তিনবার এই সংসদে পাঠিয়েছে। এলাকার মানুষ উন্নয়ন চায়। ওই এলাকার মানুষের জন্য ৭১ বিধিতে এবং পরে সময় পেলে এই এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলবেন।

সংসদ টিভিতে সংসদ সদস্যের নাম দেখানোর নির্দেশনা

আজ দিনের কার্যক্রমের শুরুতে বিশেষ অধিকার প্রশ্নে আনা দুটি নোটিশ নিষ্পত্তি করেন স্পিকার। এর একটি ছিল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের। তাঁর নোটিশটি স্পিকার পড়ে শোনান। সেখানে বলা হয়, জাতীয় সংসদে মাননীয় সংসদ সদস্যদের একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া খুবই প্রয়োজন। প্রায় চার মাস হতে চলল; কিন্তু বেশি সংসদ সদস্যদের চেনা-জানা হয়নি। অনেক সময় চেহারা চিনলেও নাম ও সংসদীয় এলাকা জানা যায় না। যখন টেলিভিশনে সংসদ কার্যক্রমের শুধু ছবি দেখা যায়, বক্তৃতা শোনা যায়। এখন থেকে যখন দৃশ্য দেখানো ও প্রচার কাজ চলবে, তখন ছবি ও চেহারার সঙ্গে টেলিভিশন স্ক্রিনে তাঁর নাম ও সংসদীয় এলাকা ভেসে উঠলে সবার সঙ্গে পরিচিতি সহজ হয়ে যাবে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান মুজিবুর রহমান।

এ বিষয়ে স্পিকার বলেন, বিষয়টি খুবই যুক্তিযুক্ত। তিনি সংসদ সচিবালয়কে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। তবে বিষয়টি সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, সংসদ সচিবালয়–সম্পর্কিত। তাই নোটিশটি গ্রহণ করা হয়নি।