’২৪–পরবর্তী সংসদে ‘খ্যাতির বিড়ম্বনা’ দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ। একজন প্রতিমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ১০–১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ওনার পরিবারের নামে হয়ে যায়। উনি কিছুই জানেন না। এটা একটা মিরাকল।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে আবদুল হান্নান মাসউদ এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন চলছে।
হান্নান মাসউদ বলেন, অতীতে যেভাবে বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানের নাম এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে করা হয়েছিল, এখনো একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘যেদিকে তাকিয়েছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বলেন, রাস্তাঘাটের নাম বলেন—সব শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। ...কিন্তু আমাদের এই সংসদেও একজন প্রতিমন্ত্রী, সেই খ্যাতির বিড়ম্বনা আমরা দেখতে পাচ্ছি।’
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের প্রতি ইঙ্গিত করে হান্নান মাসউদ বলেন, ‘উনি কিছুই জানেন না, কিন্তু ১০–১২টা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ওনার পরিবারের নামে হয়ে যায়। রাস্তাঘাটের নাম হয়ে যায় এবং এমনকি ইউনিয়নের নাম পর্যন্ত হয়ে যায়। এটা একটা মিরাকল।’
এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমরা এমন এক মিরাকল সংসদে আছি যে সংসদে আমরা ফ্যাসিবাদকে উৎখাত করে এসেছি। সবাই কমবেশি নির্যাতিত হয়েছে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সীমান্ত নিয়ে ভারতের দালালি যেভাবে আওয়ামী সরকার করত, ঠিক একইভাবে আমাদের এই সংসদের বিভিন্ন মন্ত্রীরাও একই ধরনের ভারতীয় ভাষায় কথা বলে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে হান্নান মাসউদ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে বক্তব্য দিতেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একইভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন যে সকল সীমান্ত হত্যাকে সীমান্ত হত্যা বলা যাবে না। আমরা বলছি, প্রত্যেকটা সীমান্ত হত্যাই হত্যা। প্রত্যেকটা সীমান্ত হত্যাই আমাদের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।’






