গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষে কোন দল পরের রাউন্ডে যাবে, আর কোন দলকে বিদায় নিতে হবে, তা নিয়ে দর্শকদের হিসাব-নিকাশ চলতেই থাকে। এবার টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের মধ্যে রেকর্ড ৩২টি দল জায়গা করে নেবে পরের রাউন্ডে। নকআউটের টিকিট কাটার এই হিসাব-নিকাশ এবার তাই আরও রোমাঞ্চকর হতে যাচ্ছে।

১২টি গ্রুপের প্রতিটির শীর্ষ দুটি দল সরাসরি চলে যাবে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এ। তবে হিসাবটা জটিল হবে প্রতি গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোকে নিয়ে। ১২টি গ্রুপের তৃতীয় হওয়া দলগুলোর মধ্যে সেরা ৮টি দলও পা রাখবে নকআউট পর্বে।

.

গ্রুপ পর্বে প্রতিটি জয়ের জন্য ৩ পয়েন্ট এবং ড্রয়ের জন্য ১ পয়েন্ট। যদি গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে একই গ্রুপের দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়, তবে অবস্থান নির্ধারণের জন্য ক্রমানুসারে নিচের নিয়মগুলো প্রযোজ্য হবে—

.
>প্রথমেই দেখা হবে হেড টু হেড বা মুখোমুখি লড়াইয়ের হিসাব।
>সমান পয়েন্ট থাকা দলগুলোর নিজেদের মধ্যকার ম্যাচে  অর্জিত সর্বোচ্চ পয়েন্ট।
>সমান পয়েন্ট থাকা দলগুলোর নিজেদের মধ্যকার ম্যাচের গোল ব্যবধান।
>সমান পয়েন্ট থাকা দলগুলোর নিজেদের মধ্যকার ম্যাচে করা সর্বোচ্চ গোলসংখ্যা।
.

এরপরও দলগুলোকে আলাদা করা না গেলে আসবে দ্বিতীয় আরেকটি হিসাব।

.
>গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে দলগুলোর গোল ব্যবধান।
>গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে দলগুলোর গোলসংখ্যা।
>ফেয়ার প্লে পয়েন্ট: খেলোয়াড় ও দলের অফিশিয়ালদের পাওয়া হলুদ ও লাল কার্ডের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত সর্বোচ্চ ‘টিম কন্ডাক্ট স্কোর’।
.
>এরপরও দলগুলোকে আলাদা করা না গেলে সমান পয়েন্টে থাকা দলগুলোর অবস্থান নির্ধারিত হবে সর্বশেষ ফিফা র‍্যাঙ্কিং ভিত্তি করে।
.

১২টি গ্রুপের মধ্যে সেরা ৮টি তৃতীয় হওয়া দল নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো ক্রমানুসারে বিবেচনা করা হবে—

.
>গ্রুপ পর্বে প্রাপ্ত পয়েন্ট।
>গ্রুপ পর্বের গোল ব্যবধান।
>গ্রুপ পর্বের গোলসংখ্যা।
>ফেয়ার প্লে পয়েন্ট।
>সর্বশেষ ফিফা র‍্যাঙ্কিং।