পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া থানা এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আকাশ সরকার নামের ওই শিক্ষার্থী নাট্যকলা বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে গেন্ডারিয়া থানার ভাট্টিখানা মসজিদের এস কে দাস সড়কের একটি ভবনের পঞ্চম তলা থেকে আকাশের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘আকাশ ভাই সাধারণ জীবন যাপন করতেন। তিনি কখনো তাঁর কষ্টগুলো প্রকাশ করতেন না। তাঁর একটা সম্পর্ক ছিল, এটা অনেকেই জানত। যাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, তাঁর বিয়ে হয়ে গেছে। আমরা কেউই বুঝতে পারিনি, তিনি এতটা মানসিক চাপে ছিলেন।’

একই বাসায় থাকা ইশতিয়াক বলেন, ‘আমার পরীক্ষা, এ জন্য পড়ছিলাম। পরে ভাইয়ের বান্ধবী আমাকে ফোন দিলে আমি রুমের দরজা ধাক্কা দিতে থাকি। একপর্যায়ে দরজা খুলে যায়। এ সময় ভাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে ফোন দিই।’

এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল হাসান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, রাত সাড়ে নয়টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নাজমুল হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তাজাম্মুল হক মুক্তকণ্ঠকে বলেন, আকাশের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁর ভাই আসছেন। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।