ডেভিড বেকহাম ফুটবল জীবন ত্যাগ করেছেন এক যুগেরও বেশি আগে। কিন্তু বুট রেখে দিলেও ফুটবল জগতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি, বরং ব্যস্ততা বাড়িয়েছেন দিন দিন। এর সঙ্গে তাঁর সম্পদও বেড়েছে। সানডে টাইমসের রিচ লিস্ট অনুসারে, বেকহাম এখন ব্রিটেনের প্রথম বিলিয়নিয়ার ক্রীড়াবিদ।

ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক ফুটবলার এবং ইন্টার মায়ামির বর্তমান সহ-মালিক বেকহাম ও তাঁর স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার সম্মিলিত সম্পদ এখন ১.১৮৫ বিলিয়ন পাউন্ড। বাংলাদেশি টাকায় এটি ১,৭৭৭৫০ কোটি টাকা।

সানডে টাইমসের সবচেয়ে ধনী ক্রীড়াবিদদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে সাবেক ফর্মুলা ওয়ান প্রধান নির্বাহী বার্নি একলেস্টোনের পরিবার, যাদের সম্পদ ২ বিলিয়ন পাউন্ড। দ্বিতীয় স্থানে বেকহাম। ২০১৩ সালে খেলোয়াড় জীবন থেকে অবসর নেওয়া এই তারকা ফুটবলার এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির অন্যতম মালিক। মায়ামি ১.৪৫ বিলিয়ন ডলার বা ১.০৭ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যায়ন নিয়ে মেজর লিগ সকারের সবচেয়ে মূল্যবান ক্লাব হিসেবে পরিচিত।

বেকহাম আয় করেন অ্যাডিডাস এবং হুগো বসের মতো কোম্পানিগুলোর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে। তাঁর স্ত্রী ভিক্টোরিয়া বেকহামের সম্পদের বেশিরভাগ এসেছে তাঁর নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন লেবেল থেকে।

গত ১২ মাসে বেকহাম দম্পতির সম্পদ বাড়লেও তাঁর সাবেক ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সহ-মালিক জিম র‍্যাটক্লিফের সম্পদ কমেছে। তালিকা প্রস্তুতকারকদের তথ্য অনুসারে, তাঁর সম্পদ ১.৮৫ বিলিয়ন পাউন্ড কমে এখন ১৫.১৯৪ বিলিয়ন পাউন্ড। সম্মিলিত তালিকায় তিনি সপ্তম স্থানে।

সবচেয়ে ধনী ক্রীড়াবিদদের তালিকায় বেকহামদের সঙ্গে রয়েছেন বাবা-ছেলে ব্যারি ও এডি হার্ন। তাদের সম্মিলিত সম্পদ আনুমানিক ১.০৩৫ বিলিয়ন পাউন্ড। ব্যারি হার্ন বক্সিং, ডার্টস ও স্নুকারের প্রমোটার প্রতিষ্ঠান ম্যাচরুমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট, এবং তার ছেলে এডি হার্ন ম্যাচরুমের চেয়ারম্যান।