নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনাঘাটে জেরা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের ক্যানটিনে গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণে দগ্ধ শংকর গোমেজ (২৫) নামের তরুণের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
শংকর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনের শেফ ছিলেন। তিনি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চিটাগুড়ি দিয়ারা পাড়া জোসি গোমেজের ছেলে।
গত বুধবার দুপুরে সোনারগাঁওর মেঘনাঘাট এলাকার এই ৭১৮ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ ১২ জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানকার আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, “বুধবার দুপুরে দগ্ধ অবস্থায় ১২ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে শংকরের শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। ৬ জনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। গুরুতর দগ্ধ ৫ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন।”
ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের নারায়ণগঞ্জ জোন-২–এর উপসহকারী পরিচালক ওসমান গনি বলেছিলেন, “বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডরমিটরিতে নিচতলায় ডাইনিংয়ের পাশে রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করা হতো। যেকোনোভাবে গ্যাস লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্না শেষে চুলা বন্ধ না করা অথবা সিলিন্ডারের নজেল বা পাইপের লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কর্তৃপক্ষের কাছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”






