লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামির সঙ্গে নতুন চুক্তিতে বেতন আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। তাঁর বর্তমান বেতন ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩০৭ কোটি ৩৫ লাখ ২৭ হাজার টাকা। নতুন চুক্তি অনুসারে মোট নিশ্চিত আয় হয়েছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ ডলার। এই আয়ের তথ্য নিশ্চিত করেছে এমএলএস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন।
আয়ের তালিকায় মেসি এখন দ্বিতীয় স্থানের লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি (এলএফসি) তারকা সন হিউং-মিনের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি আয় করছেন। মেসির এই বেতনের কারণে এমএলএসে মায়ামি ছাড়া অন্য কোনো দলই সব খেলোয়াড়ের জন্য এত খরচ করে না।
সব মিলিয়ে ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড়দের মোট বেতন এখন ৫ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যা এমএলএসে সর্বোচ্চ। এটি দ্বিতীয় স্থানের লস অ্যাঞ্জেলেসের চেয়ে ২ কোটি ডলার বেশি, যাদের বেতন খাতে মোট খরচ ৩ কোটি ২৭ লাখ ডলার। লিগে সবচেয়ে কম বেতনের দল ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মোট বেতন ১ কোটি ১৭ লাখ ডলার, অর্থাৎ মায়ামির খরচ ফিলাডেলফিয়ার চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। গত মৌসুমের শুরুতে মায়ামির বেতন ছিল ৪ কোটি ৬৮ লাখ ডলার।
এদিকে টরন্টো এফসি খেলোয়াড়দের বেতন ৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার থেকে কমিয়ে ২ কোটি ১৪ লাখ ডলার করেছে। আর এলএএফসি বেতন খাতে ব্যয় বাড়িয়ে ২ কোটি ২৪ লাখ থেকে ৩ কোটি ২৭ লাখ ডলারে নিয়ে গেছে।
পুরো এমএলএসে খেলোয়াড়দের মোট নিশ্চিত পারিশ্রমিক এখন ৬৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত একজন খেলোয়াড়ের গড় নিশ্চিত আয় ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৮১৬ ডলার, যা গত বছরের ১ অক্টোবরের ৬ লাখ ৩২ হাজার ৮০৯ ডলারের তুলনায় প্রায় ৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি।
মেসি ২০২৩ সালের জুলাইয়ে এমএলএসে যোগ দেওয়ার সময় প্রথম চুক্তিতে বেতন ছিল ১ কোটি ২০ লাখ ডলার এবং বার্ষিক নিশ্চিত আয় ২ কোটি ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬৭ ডলার। এরপর গত অক্টোবরে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত তিন বছরের নতুন চুক্তি করেন। এরপর দলটি তাঁর হাত ধরে ইতিহাসের প্রথম এমএলএস কাপ জয় করে। গত মৌসুমে মেসি এমএলএসে সর্বোচ্চ ২৯ গোল করে টানা দ্বিতীয়বার সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন।
প্রকাশিত মেসির বেতনের তথ্য শুধু তাঁর এমএলএস চুক্তির অংশ। এতে মার্কেটিং বোনাস ও এজেন্ট ফিও অন্তর্ভুক্ত আছে। তবে ক্লাব বা তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অতিরিক্ত বাণিজ্যিক চুক্তি ও পারফরম্যান্স বোনাস ধরা হয়নি।






