জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনে ধর্ষণচেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাত এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত পুরাতন ফজিলতুন্নেছা হল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে দেখা গেছে, তবে তার পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার কার্যালয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, রাত এগারোটার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন অভিযুক্ত ব্যক্তি তার পিছু নিয়ে আসছিলেন। পুরাতন ফজিলতুন্নেছা হল সংলগ্ন সড়কে অভিযুক্ত তাঁর কাছাকাছি এসে জিজ্ঞাসা করেন ক্যাম্পাসের কি না। উত্তরে সে বলেন, “তিনি ক্যাম্পাসের ৪৮তম ব্যাচ এবং পার্শ্ববর্তী বিশমাইল এলাকায় থাকেন।” কথা শেষ করতেই কাপড় দিয়ে ভুক্তভোগীর গলা পেঁচিয়ে অন্ধকারে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী কোনোমতে বেরিয়ে রাস্তায় আসেন। তখন রাস্তায় যাতায়াতকারী কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর হোসেন বলেন, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা সাজেস্ট করেছি।”
চিকিৎসাকেন্দ্রের নার্স আলমগীর হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।”
পরে ভুক্তভোগীকে নিরাপত্তা শাখায় নেওয়া হয়। রাত দুটার দিকে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগীসহ কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী, প্রক্টর এবং জাকসুর কয়েকজন নেতা মিলে সিসিটিভি ফুটেজ দেখছেন। কার্যালয়ের বাইরে অন্য শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম রাশিদুল আলম বলেন, “খুবই ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে বের করছি তবে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পুরো ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় রয়েছে। আমরা কোনো না কোনো ফুটেজ দেখে তার পরিস্কার ছবি পাবো বলে আশা করছি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন রয়েছে অতিদ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।”






