বীরাঙ্গনার নীলের ভারে সায়াহ্ন ঢেকে পরিযান করে কালেম পাখিরা।তাঁদের মতোই নীল ও রক্তিম বর্ণের মাঝে সর্বাঙ্গ ভিজিয়ে বিমর্ষ বসে থাকে বিজয়।পরিযায়ী পাখিরা কি তপস্যা আর শোকেই বাড়ি ছাড়ে?চামচ চঞ্চু বাটান পাখির মতো শীতও আজ মহাবিপন্ন।দ্বাবিংশে হয়তো আমাদের শীত বলে কিছু থাকবে না।দূরবাহী সভ্যতার মতো গাছে গাছে ঝুলবে না অমৃতের আধার।উপকূলবর্তী প্লাবনের ঢলে ম্যানগ্রোভ অরণ্যের চতুরাংশবিষাদগণিকাদের মতো বাস্তুহীন হয়ে যেতে পারে।অতিবৃষ্টি-অনিয়ন্ত্রিত জনতার মতো, স্খলনই তার অভ্রান্ত গমন।সুবিদিত শীত থাক।শিশিরচূর্ণ গ্রামীণ ভোরে পূর্বতন ঐতিহ্যের গল্প নয়,মালাই, গুড়, ঝুরো চাল, নারকেলের তপ্ত পিঠে হোক।হরেক পশম আর ফ্লিসের মাঝে বম নারীদের কোমরতাঁত,হেমঘন ঘাড়, দৃঢ় বাদামি উপরিতল আর বজ্রমেঘ কালো লেজজলময়ূরের মতো দাঁড়িয়ে থাক।বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার,নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।ভাসমান পাতার ওপর হেঁটে হেঁটে কত জীবন চলে গেছে।