রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক শক্তি সংস্থা রসাটম (Rosatom) ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ নামক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতার সপ্তম আয়োজনের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২২টি দেশের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারবে। প্রতিটি দেশ থেকে একজন বিজয়ী নির্বাচিত হবে, যারা ২০২৬ সালের আগস্টে পারমাণবিক আইসব্রেকার জাহাজ ‘৫০ ইয়ার্স অব ভিক্টরি’-তে চড়ে উত্তর মেরু অভিযানে যাবে। প্রায় ১০ দিনের এই অভিযানে তারা আর্কটিক অঞ্চলে বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশ নেবে।

গত ছয় আসরে বিশ্বের ৪০০-এর বেশি শিক্ষার্থী এই কর্মসূচির মাধ্যমে আর্কটিক অভিযানে যোগ দিয়েছে।

তিন ধাপে নির্বাচন

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতাটি তিন ধাপে চলবে। প্রথম ধাপে অংশগ্রহণকারীদের অনলাইনে নিবন্ধন করে ৩০টি প্রশ্নের বিজ্ঞানভিত্তিক কুইজ সম্পন্ন করতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপে তারা বিশেষজ্ঞদের ওয়েবিনারে অংশ নেবে। সেখানে পারমাণবিক প্রযুক্তি, আর্কটিক গবেষণা, নিরাপদ নৌ-চলাচল ও বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। ওয়েবিনারের শেষে নির্ধারিত অ্যাসাইনমেন্ট ও মূল্যায়ন করতে হবে।

তৃতীয় ধাপে প্রতি দেশ থেকে সেরা ১০ ফাইনালিস্ট নির্দিষ্ট বিষয়ে এক মিনিটের ভিডিও উপস্থাপন জমা দেবে।

আবেদনের নিয়ম

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সময়সূচি

আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে ৫ মে থেকে এবং চলবে ৩ জুন পর্যন্ত। বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে জুন মাসে।

এই রসাটম-সমর্থিত কর্মসূচির লক্ষ্য বিজ্ঞান ও পারমাণবিক প্রযুক্তির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ জাগানো, মেধাবীদের চিহ্নিত করা এবং তাদের ক্যারিয়ার গঠনে দিকনির্দেশনা দেওয়া।

রসাটম-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ফর কমিউনিকেশনস আলেক্সান্দ্রা ইউসটাস বলেন, “এই কর্মসূচি শুধু ভ্রমণের সুযোগ নয়। অংশগ্রহণকারীরা আর্কটিক অঞ্চলে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য পেশাজীবীদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবে।”

বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

২০২৫ সালের আসরে বাংলাদেশ থেকে রেকর্ড ৮৪১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিল। তাদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ উত্তর মেরু অভিযানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিস্তারিত জানুন ওয়েবসাইটে