জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুর রহমান হল ও শহীদ নজরুল ইসলাম হল উদ্ধারের জন্য ১০ দিনের আলটিমেটাম শেষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খুঁজে বের করতে আরও পাঁচ দিন সময় দিয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবনের সামনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ৩১ মার্চ ছাত্রদলের উদ্যোগে হল উদ্ধার কর্মসূচি পালন করে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনটি প্রশাসনকে ১০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “হলে ওঠা শিক্ষার্থীদের অধিকার। ৫ আগস্টের পরও হল উদ্ধারে কোনো অগ্রগতি হয়নি। নতুন প্রশাসন এসেছে, আমরা হল উদ্ধারে তাদের সহযোগিতা চেয়েছি। এ ছাড়া ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে কথা হয়েছে। হলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খুঁজে বের করতে প্রশাসন সময় চেয়েছে, আমরা পাঁচ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে হলগুলো উদ্ধারের বিষয়ে সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।”

“জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বেগম খালেদা জিয়ার হাতে প্রতিষ্ঠা করা বিশ্ববিদ্যালয়। এ জন্য ক্যাম্পাসের সাবেক নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে কাজ করে গেছেন। আমরাও ক্যাম্পাসের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাব”, বলেন এই ছাত্রদল নেতা।

ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদার বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের আবেগের জায়গা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন হল নিয়ে আন্দোলন করলেও এখন তারা পিছিয়ে এসেছে। কিন্তু আমাদের জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতার একটা জায়গা আছে। সেখান থেকে আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সব স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে হলগুলো উদ্ধার করব।”

সংবাদ সম্মেলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহম্মেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদার, মো. শাহরিয়ার হোসেন, মাহমুদুল হাসান মাহমুদ, রবিউল আওয়াল, নাহিয়ান বিন অনিক, ইয়াকুব শেখ অনিক, মিয়া রাসেল, শাখাওয়াত হোসেন পরাগসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।