বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা অন্বেষণে ছয় দেশের কূটনীতিকদের একটি প্রতিনিধিদল মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্থনৈতিক অঞ্চল (এমআইইজেড) পরিদর্শন করেছে।

আজ শনিবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত এই অঞ্চলে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোস্তফা কামাল এবং জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক তায়েফ বিন ইউসুফ প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান।

প্রতিনিধিদলে ছিলেন ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমান, মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সোয়ে মো, ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা ক্যাংলেট, সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি এবং থাইল্যান্ডের মিনিস্টার কাউন্সেলর ও ডেপুটি চিফ অব মিশন সুপাওয়াদি ওংসাওয়াসদি।

এমজিআই’র একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরিদর্শনকালে অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এমজিআই’র সুযোগ-সুবিধা দেখে কূটনীতিকেরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা জানান, এমজিআই’র অর্থনৈতিক অঞ্চলের সুযোগ-সুবিধাগুলো নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা তাঁরা নিজ নিজ দেশের বিনিয়োগকারীদের জানাবেন।

এ সময় এমজিআই’র চেয়ারম্যান ও এমডি মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে এবং সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতে কোনো বিলম্ব ছাড়াই এখানে কারখানা স্থাপন ও উৎপাদনে যেতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আমরা প্রস্তুত রেখেছি।’

মোস্তফা কামাল আরও বলেন, ‘আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ব্যবসায়িক সাফল্য নিশ্চিত করতে এমজিআই’র ওয়ান-স্টপ সেবার মাধ্যমে যাবতীয় কার্যক্রম স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে করে থাকি। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এমজিআই’র এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের তিনটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল তিনটি হলো মেঘনা ইকোনমিক জোন, মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন ও কুমিল্লা ইকোনমিক জোন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, জাপান, নরওয়ে, ভারত, চীন, সুইজারল্যান্ড ও বেলজিয়ামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কারখানা স্থাপন করেছে।