পাঁচ বছর বয়সী শিশু রাতুলের হাতে সংসারের সমস্ত ভার। অসুস্থ বাবা এবং অভাবের চাপে শৈশবেই সে হয়ে উঠেছে পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। সম্প্রতি গণমাধ্যমে তার এই করুণ জীবনসংগ্রাম প্রকাশিত হলে বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে পড়ে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ে রাতুলের পরিবারের কাছে এবং আগারগাঁওয়ে বৃদ্ধা শাহানুর বেগমের কাছে আর্থিক সহায়তা ও সহানুভূতির বার্তা পৌঁছে দেয় একটি প্রতিনিধিদল। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে মুক্তকণ্ঠকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দুপুরে খিলগাঁও শান্তিপুর ফায়ার সার্ভিস-সংলগ্ন এলাকার রাতুলের জীর্ণ ঘরে পৌঁছায় আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল। সেখানে তারা রাতুলের অসুস্থ বাবা মো. রাব্বির সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নগদ আর্থিক সহায়তা হস্তান্তর করা হয়। শুধু তাৎক্ষণিক সাহায্য নয়, শিশু রাতুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে তার পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেয় প্রতিনিধিদল।
প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, যে বয়সে রাতুলের স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সে তাকে সংসার চালাতে হচ্ছে—এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তারা শিশুটির পাশে দাঁড়িয়েছেন, যাতে তাকে আর শ্রম করতে না হয়।
রাতুলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রতিনিধিদল রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় যায়। সেখানে জীবনের সায়াহ্নে এসেও রাস্তায় পানি বিক্রি করে বেঁচে থাকা বৃদ্ধা শাহানুর বেগমের সঙ্গে তারা দেখা করেন। অসহায় এই নারীর কষ্টের কথা শুনে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাঁকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।
সহায়তা প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য শাকিল আহমেদ, ফরহাদ আলী সজীব, সুইডেন বিএনপির নেতা সায়হাম সিকান্দার, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা মো. মেসবাউল আলম, মশিউর রহমান এবং ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য আবদুল্লাহ আল মিসবাহসহ অনেকে।






