ছোটবেলা থেকেই ভিডিও গেমের শখী অ্যামি ডাইসনের সবচেয়ে প্রিয় গেম ‘টুম্ব রেইডার’। এই অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার গেমের কেন্দ্রীয় চরিত্র লারা ক্রফট, একজন দুঃসাহসী ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক। তিনি বিশ্বের নানা প্রান্তে রহস্যময় প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ খুঁজে মূল্যবান প্রত্নবস্তু উদ্ধার করেন।
সিরিজের প্রতিটি নতুন গেম বাজারে আসলেই ডাইসন তা কিনে নিয়েছেন। ফলে তাঁর সংগ্রহ দিন দিন বেড়েছে। বর্তমানে তাঁর কাছে টুম্ব রেইডার ভিডিও গেমের ২৯১টি ইউনিক কপি রয়েছে।
সংগ্রহে রয়েছে গেমের ‘স্পেশাল এডিশন’, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের সংস্করণ এবং একই গেমের নানা ভাষার কপিগুলো। এভাবে বিশাল সংগ্রহশালা গড়ে তুলে ডাইসন স্পেনের আলেহান্দ্রো কাম্ব্রোনেরো আলবালাদেহোর রেকর্ড ভেঙে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন। ২০১৭ সালে আলবালাদেহোর সংগ্রহে ছিল ২১৫টি ইউনিক কপি।
গিনেস কর্তৃপক্ষকে ডাইসন বলেন, ‘আমি ছয় বছর বয়সে প্রথম টুম্ব রেইডার খেলতে শুরু করি। গেমের সবচেয়ে মজার অংশ ছিল ধাঁধার সমাধান করা এবং আমার ভাই যে ধরনের গেম খেলত, তার থেকে নিজেকে আলাদা অনুভব করা। আমার মনে হতো, গেমটি বিশেষভাবে আমার জন্য তৈরি।’
ভিডিও গেমগুলো তাঁর ‘ফাংশনাল নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার’ মোকাবিলায় সাহায্য করেছে বলেও জানান ডাইসন। এই অসুস্থতায় তিনি কাজে মনঃসংযোগ দিতে পারতেন না, মাথা ঘোরা, কাঁপুনি এবং শরীরে অসাড় ভাব হতো। ‘যখন আমি অসুস্থ বোধ করি, কাজ থেকে ছুটি নিতে হয়। আমি সঙ্গে সঙ্গে টুম্ব রেইডার খেলতে শুরু করি। এটি আমার মস্তিষ্ক সক্রিয় হতে সাহায্য করে,’ বলেন এই সংগ্রাহক।
১৯৯৬ সালে প্রথম টুম্ব রেইডার গেম বাজারে আসে।






