সনদ যাচাইয়ের প্রশাসনিক জটিলতায় বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ হারানোর প্রতিবাদে একদল শিক্ষার্থী অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তাদের ই-মেইল যাচাই এবং ফোনে কথা বলার বিষয়ে ‘প্রশিক্ষণ’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মেদকে এই কর্মসূচির আমন্ত্রণপত্র দিয়েছে। আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়েছে, কর্মসূচিতে কর্মকর্তাদের ই-মেইল ও ফোন ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানো এবং সনদ যাচাইয়ের নির্ধারিত ফি পুনর্বিবেচনার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে মঙ্গলবার বিকেলে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। কর্মসূচির অন্যতম আয়োজক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের (২০২৩-২৪ সেশন) শিক্ষার্থী অর্ক বড়ুয়া মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনসংক্রান্ত কাজে শিক্ষার্থীরা যে হয়রানির শিকার হন, এর প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে আমরা এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করছি।’

অর্ক বড়ুয়া বলেন, বিগত কয়েক দিন ক্যাম্পাসে ই–মেইল ভেরিফিকেশন নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। যার ফলে দুজন শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সুযোগ হারিয়েছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে তথ্য ভেরিফিকেশনের মেইল পাঠানো হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনেক সময় সেগুলোর উত্তর দেয় না।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব সমস্যার সমাধান না করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিজেদের কাজের পক্ষে যুক্তি দেখায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সম্প্রতি ভেরিফিকেশন–জটিলতায় দুজন শিক্ষার্থীর বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল।