২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কেনা দেড় লাখ ইভিএম এখন নির্বাচন কমিশনের জন্য ভারী বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকায় কেনা এই মেয়াদোত্তীর্ণ ও অব্যবহার্য যন্ত্রগুলো দুর্নীতির অভিযোগে দুদক তদন্তাধীন এবং নিরীক্ষা আপত্তির কারণে পোড়ানো যাচ্ছে না। ফলে বিএমটিএফ ও বিভিন্ন জেলার গুদামে এগুলো রাখতে হয় প্রতি মাসে কোটি টাকার বেশি ভাড়া দিয়ে। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে খেলাফত মজলিস জনগণের দুয়ারে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
১৯ জুন, ২০২৬ এ ১১:২৪ অপরাহ্ণ





