মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের প্রেক্ষাপটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আজ রোববার আলাদা নির্দেশনা জারি করবে। গত বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে এসব জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরসহ বিভিন্ন উপলক্ষে প্রায় ৪০ দিনের ছুটির পর গত রোববার (২৯ মার্চ ২০২৬) থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেক দেশে জ্বালানিসংকট দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানির চাপ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাব এসেছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ রোববার জানা যাবে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, "শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে।" কারণ, এ নিয়ে কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার প্রয়োজন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী রোববার থেকে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসংক্রান্ত আলাদা নির্দেশনা দেওয়া শুরু করবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যেন বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ইলেকট্রিক বাস চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদ্যালয়গুলো এসব বাস বিনা শুল্কে আমদানি করতে পারবে। তবে বাণিজ্যিকভাবে আনলে ২০ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হবে। এসব বাস অবশ্যই নতুন হতে হবে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ছিল, আপাতত সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেওয়া। এর মধ্যে জোড়-বিজোড় মিলিয়ে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীরে পাঠদানের প্রস্তাব বিবেচনায় আছে। অর্থাৎ একদিন অনলাইন ক্লাস হলে পরের দিন সশরীরে ক্লাসের পরিকল্পনা। অনলাইন ক্লাস হলেও শিক্ষকরা সশরীরে উপস্থিত থেকে পড়াবেন। ব্যবহারিক ক্লাসগুলো সশরীরে হবে।