ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুনের ঘটনায় আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর ফলে এ ঘটনায় মোট ছয়জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার ‘প্রধান ফটক ছিল তালাবদ্ধ’।

শনিবার বেলা একটার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগর ইউনিয়নের কদমতলী ডিপজল গলি সড়ক এলাকার কারখানাটিতে আগুন লাগে। দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর বেলা আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আর বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভাতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পাঁচজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

উদ্ধার পাঁচ মরদেহের মধ্যে তিনজন নারী, একজনের পরিচয় শনাক্ত। প্রথমে উদ্ধার হওয়া দগ্ধ পাঁচজনের মরদেহের মধ্যে তিনজনই নারী বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে শুধু একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এদিকে এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের অপারেশনস ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

‘মিম গ্যাসের কারণে মারা গেছে, সুপারভাইজার বলছে আগুন কম, নিভা যাইব’। কদমতলীতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।