২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিতে চাওয়া প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া ২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে। প্রত্যেক প্রাইভেট পরীক্ষার্থীর তালিকাভুক্তি ফি ১০০ টাকা। ৬ থেকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এবার নির্বাচিত ১৬টি কলেজের মাধ্যমে এই পরীক্ষার্থীরা প্রাইভেটভাবে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) বা সমমান পরীক্ষা ২০২১ এবং এর আগের বছরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। তা ছাড়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা ২০২০ এবং পূর্ববর্তী বছরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে পারে আগামী ৭ জুন।
নির্বাচিত কলেজগুলো হলো— ভাসানটেক সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ, মুন্সিগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, মানিকগঞ্জের সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, নরসিংদী সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজ, নাগরপুর সরকারি কলেজ, ফরিদপুরের সরকারি ইয়াছিন কলেজ, শরীয়তপুর সরকারি কলেজ, মাদারীপুর সরকারি কলেজ, রাজবাড়ী সরকারি কলেজ, গোপালগঞ্জের সরকারি কলেজ, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন যায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ব্যতীত প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬–এ অংশ নিতে পারবেন। বোর্ড থেকে প্রণীত পরীক্ষা পরিচালনার নিয়মাবলি প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের বেলায়ও প্রযোজ্য হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীকে বোর্ড থেকে নির্ধারিত যেকোনো একটি কলেজের মাধ্যমে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। তবে শিক্ষক, পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীতে চাকরিরত ব্যক্তি এবং শারীরিক বা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী প্রাইভেট পরীক্ষার্থীকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে না।
প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা যে কলেজের মাধ্যমে নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করবেন, সে কলেজের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ নেবেন। কোনো অবস্থায়ই কেন্দ্র পরিবর্তন করা যাবে না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা কেবল মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও ইসলামি শিক্ষা শাখায় পরীক্ষা দিতে পারবেন। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা আছে (তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি ব্যতিত), সে বিষয়/বিষয়গুলো নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা চতুর্থ বিষয় নিতে পারবেন না।
বোর্ডের কোনো কর্মচারী কর্মরত অবস্থায় নিজ বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। তবে ইচ্ছা করলে নিজ নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বাংলাদেশের অন্য যেকোনো বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের বোর্ড থেকে নির্ধারিত কলেজের অধ্যক্ষের নিকট ২ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফি, অন্যান্য দলিলাদিসহ সাদা কাগজে আবেদন করতে হবে। প্রাইভেট প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর তালিকাভুক্তি ফি ১০০ টাকা এবং ৬ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পূরণ করা অনলাইন তালিকা ও মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক থেকে সত্যায়িত করে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে মূল নম্বরপত্র তালিকার ক্রমানুসারে সাজিয়ে দিতে হবে।






