বরিশাল বিভাগে নতুন করে ১১ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে বিভাগের ছয় জেলায় হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬২-এ পৌঁছেছে। আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল মুক্তকণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই সময়ে তিনটি শিশু রুবেলায় (জার্মান হাম) আক্রান্ত হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুসারে, ছয় জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বরগুনায়—২৫ জন। বরিশালে ২৪ জন, ভোলায় ৪, ঝালকাঠিতে ৫, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরে ২টি করে শিশু হামে আক্রান্ত। এছাড়া বরগুনা, ভোলা ও বরিশালে ১ জন করে মোট ৩টি শিশুর শরীরে রুবেলা ভাইরাস পাওয়া গেছে।
এদিকে, বিভাগের ছয় জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৩ শিশু আগত হয়েছে। আজ দুপুর পর্যন্ত সেখানে ৫৩ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত মার্চ মাসে এই হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৩৪ জন ভর্তি হয়েছিল।
বরিশাল বিভাগে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৮টি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি বরগুনায়—৩ জন। বরিশালে ১ জন এবং ভোলা ও পিরোজপুরে ২টি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল মুক্তকণ্ঠকে বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে বা একই ঘরে থাকলেও সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের সুরক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।






