ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জাপানস সফট ডিপ্লোমেসি ইন সাউথ এশিয়া: চেঞ্জ অ্যান্ড কন্টিনিউইটি’ শিরোনামে দুই দিনব্যাপী তরুণ গবেষক সম্মেলন শুরু হয়েছে।
সোমবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। জাপানিজ স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন সাউথ এশিয়া এটি আয়োজন করেছে, যার অর্থায়ন করেছে জাপান ফাউন্ডেশন।
সম্মেলনে জাপান, চীন, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকরা অংশগ্রহণ করছেন। ১০টি অধিবেশনে মোট ১৪টি গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি বলেন, “জাপান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও গভীর। ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পরপরই জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।”
তিনি জাপানি জনগণের কর্মনিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও সততার প্রশংসা করে শিক্ষার্থীদের এসব গুণ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “এই সম্মেলন তরুণ গবেষকদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
উপাচার্য আরও বলেন, “জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপট, বিশেষ করে বাণিজ্য, উন্নয়ন সহায়তা ও বিনিয়োগ নিয়ে গভীর গবেষণা জরুরি। জাপান বাংলাদেশের প্রধান দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান দূতাবাসের মিনিস্টার তাকাহাশি নাওকি বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে জাপানের সম্পর্ক কেবল অর্থনৈতিক সহযোগিতায় সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা, সংস্কৃতি ও একাডেমিক বিনিময়ও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।” সফট ডিপ্লোমেসি সংস্কৃতি, ভাষা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন তৈয়বুর রহমান, জাপান ফাউন্ডেশন নয়াদিল্লির মহাপরিচালক কোজি সাতো, টোকিওর জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াকাও কোইকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম, জাপানিজ স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন সাউথ এশিয়ার সভাপতি শ্রাবণী রায় চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন।






