শেষ ওভারে ১৪ রান দরকার করাচি কিংসের ম্যাচ জয়ের জন্য। দলটির হাতে ছিল ৫ উইকেট। ঠিক তখনই নাটকীয় মুহূর্ত। দুই আম্পায়ার হঠাৎ বল পরীক্ষা করতে শুরু করলেন। তাঁদের ইঙ্গিতে রিজার্ভ আম্পায়ার পুরোনো বলের ব্রিফকেস নিয়ে মাঠে এলেন। বলের অবস্থা পরিবর্তিত দেখে তারা বল বদলে দিলেন। এই কারণে মোস্তাফিজুর রহমানের লাহোর কালান্দার্সকে ৫ রান জরিমানা করা হলো।
এতে করাচির জয়ের সমীকরণ ৬ বলে ১৪ রান থেকে হয়ে গেল ৬ বলে ৯ রান। হারিস রউফের শেষ ওভারের প্রথম বলে কাউ কর্নারে সিকান্দার রাজা দারুণ ক্যাচ নিয়ে খুশদিল শাহকে ফেরালেন। তবে এতে করাচির জয় কেবল একটু দেরি হলো। পরের বল ওয়াইড হলো, তারপর টানা দুই বলে চার-ছক্কা পূরণ করে আব্বাস আফ্রিদি করাচিকে টানা দ্বিতীয় জয় এনে দিলেন। লাহোর দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম হারের স্বাদ পেল।
মাত্র ১২৮ রানের লক্ষ্য নিয়েও লাহোর দুর্দান্ত লড়াই করেছিল। বোলাররা করাচির ব্যাটসম্যানদের পাখা মেলতে দেননি। ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে করাচি ১৫তম ওভারে ৫ উইকেটে ৮৮ রানে পৌঁছেছিল। এরপর আজম খান (১২ বলে অপরাজিত ১৪), খুশদিল শাহ (১৪ বলে ১৩) ও আব্বাস আফ্রিদি (২ বলে অপরাজিত ১০) জয়ে অবদান রাখলেন। তবে ৫ রানের জরিমানাও করাচির জয়ে বড় ভূমিকা পালন করল।
আফ্রিদি ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন। কিপটে বোলিং করেছেন উবাইদ শাহ (৩ ওভারে ১১ রান) ও উসমান মীর (৪ ওভারে ২০)। মোস্তাফিজ প্রথম বোলিংয়ে অষ্টম ওভারে এসে ১ রান দিয়ে সাদ বেগকে উইকেটকিপারের ক্যাচে পেয়েছেন। ১১তম ওভারে ৫ রান দেন। লাহোর অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি ১৭তম ওভারে আবার তাঁকে আনলে ৫ রান দেন। ১৯তম ওভারে ৯ রান আসে।
এর আগে লাহোর ৯ উইকেটে ১২৮ রান করেছে। ২৪ বলে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন আবদুল্লাহ শফিক। চারে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান পারভেজ হোসেন ১২ বলে ১২ রান করেছেন।






