পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ঈদযাত্রার পঞ্চম দিনে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সময় মেনেই ট্রেন ছেড়ে গেছে। ভিড় আগের দিনগুলোর চেয়ে কম ছিল। এর ফলে খুব একটা ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি ঘরমুখী যাত্রীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বেশির ভাগ ট্রেনই যথাসময়ে প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে গেছে। যাত্রীর বাড়তি চাপ সামলানোর জন্য বেশির ভাগ ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ যুক্ত করা হয়েছে।
.কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ব্যবস্থাপক সাজেদুল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ৭ মার্চ টিকিট কাটা যাত্রীরা আজ ঢাকা ছাড়ছেন। তিনি বলেন, আজ ঈদযাত্রার মোট ৬০টি ট্রেন ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে একটি এবং জয়দেবপুর থেকে একটি স্পেশাল ট্রেন রয়েছে। ৪৪টি ট্রেন আন্তনগর, বাকিগুলো লোকাল ট্রেন।
বনলতা এক্সপ্রেসে করে ঢাকা থেকে রাজশাহীর বাগমারার বাড়িতে যাচ্ছেন বেসরকারি চাকরিজীবী ইমরান হোসেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিবার ঈদে বাড়ি ফেরার সময় ট্রেনে যে ভিড় দেখি, আজকে সেই রকমের কোনো ভিড় নেই। স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছি বলা যায়।’
.একই ট্রেনের যাত্রী মারুফা বিনতে শাহবাজ। বাড়ি রাজশাহীর সাগরপাড়ায়। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর ট্রেনে করে বাড়িতে ফিরি। অন্যবার যেমন ভিড় দেখি, আজ সে রকম কিছুই দেখিনি।’
.ট্রেন সময়মতো ছাড়ছে, স্বস্তিতে ঈদে ঘরমুখী মানুষ.শিল্পী আক্তার নামের আরেক যাত্রী দুই মেয়ে ফাহমিদা ইসলাম ও ফাতেমা ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে ফিরছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় যাওয়ার জন্য চট্টলা এক্সপ্রেসের অপেক্ষা করছিলেন তিনি। শিল্পী আক্তার বলেন, ‘প্রতিবছর বাড়ি ফেরার সময় কমলাপুরে এলে যেমন ভিড় দেখেছি, এবার তা দেখা যায়নি।’
শিল্পী আক্তার আরও বলেন, ‘আমার স্বামী বিদেশে থাকেন। মেয়েদের স্কুল আর কোচিং দেরিতে ছুটি হওয়ায় প্রতিবছর আমরা ২৭–২৮ রোজায় বাড়ি ফিরি। প্রতিবার সঙ্গে ভাই থাকলেও এবার ব্যস্ততার কারণে ভাই পড়ে যাবে। দুই মেয়েকে নিয়ে আমি আগেই চলে যাচ্ছি। তবে অন্য সময় যে রকম ভিড় দেখি, আজকে তেমন ছিল না।’
আজ সকাল থেকে কমলাপুরে ঘরমুখী যাত্রীদের ভিড় কম দেখা গেলেও বেলা দুইটার পর থেকে উপস্থিতি বাড়তে দেখা যায়।
.শেষ কর্মদিবসে বাড়ি ফিরতে কমলাপুরে হুড়োহুড়ি





