রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে পুলিশের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সিসিটিভির (ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা) ফুটেজে দেখা যায়, মুখোশধারী দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাচ্ছেন।

থানা–পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইয়ামাহা কোম্পানির ‘এফজেডএস ভার্সন-২’ মডেলের কালো রঙের মোটরসাইকেলটি ভাটারা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ফিরোজের। মোটরসাইকেলটি থানার উত্তর গেটের ভেতরে পানির ট্যাংকের পাশে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। ভোরের দিকে দুই ব্যক্তি তালা ভেঙে মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজও মুক্তকণ্ঠের হাতে এসেছে। ফুটেজে দেখা গেছে, দুই ব্যক্তি মুখোশ পরে থানার গেটের সামনে ঘোরাফেরা করছেন। একপর্যায়ে এক ব্যক্তি থানার ভেতরে ঢুকে মোটরসাইকেলের তালা ভাঙেন। আরেকজন থানার বাইরে পাহারা দেন। পরে দুজন মিলে বাইকটি ঠেলে থানা এলাকা থেকে বের করে নিয়ে যান।

এএসআই ফিরোজ মুক্তকণ্ঠকে বলেন, শুক্রবার রাতে তিনি মোটরসাইকেলটি থানার ভেতরে রেখে বাইরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকালে থানায় ফিরে দেখেন, যেখানে মোটরসাইকেলটি রেখেছিলেন, সেখানে নেই। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনি জানতে পারেন, মুখোশধারী দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছেন। মোটরসাইকেলের সঙ্গে রাখা তাঁর হেলমেটটিও তাঁরা নিয়ে যান।

ফিরোজ আরও বলেন, মোটরসাইকেলে একটি জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ট্র্যাকার লাগানো ছিল। চোরেরা মোটরসাইকেলটি থানার বাইরের একটি গলিতে নিয়ে গিয়ে সেই জিপিএস ট্র্যাকার খুলে ফেলে। ফলে তিনি এখন মোটরসাইকেলটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারছেন না।

অবশ্য থানার ভেতরে চুরির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হক। তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, থানার ভেতরে নয়, বাইরের গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়েছে। তাঁরা উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।