ইডেন গার্ডেনে গত সোমবার ইংল্যান্ডের ২০২ রান তাড়া করতে নেমে ১৭৮ তুলেছিল ইতালি। একই মাঠে আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলার পর ইতালির সমর্থকরা সম্ভবত একটু নড়েচড়ে বসেছিলেন। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেক আসরে যদি বড় কোনো দলকে হারিয়ে শেষটা রাঙানো যায়!
পারেনি ইতালি। পাওয়ার প্লেতে ৩৭ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ইতালি। শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভারে ১২৩ রানে অলআউট হয় তারা। ৪২ রানের জয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল আগেই সুপার এইটে ওঠা ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জাস্টিন মস্কাকে দ্বিতীয় ওভারে ফিরিয়ে ওপেনিংয়ে ইতালির মস্কা ভাইদের জুটি ভাঙেন ক্যারিবিয়ান পেসার ম্যাথু ফোর্ডে। একটু হাত খুলে খেলার চেষ্টায় ১২ বলে ১৯ করা অ্যান্থনি মস্কাকে পরের ওভারে ফেরান স্পিনার আকিল হোসেন। মাঝে দুই ওভার পর আবারও উইকেট হারায় ইতালি। সাইদ নাকভিকে ফেরান ফোর্ডে। এই চাপ কাটিয়ে উঠতে বড় জুটি গড়ার মতো ব্যাটিং করতে পারেনি ইতালি। তাদের কোনো জুটিতেই ২৫ রানের বেশি ওঠেনি। ছয়ে নামা বেন মানেন্তি করেন সর্বোচ্চ ২৬ রান।
প্রথম ১০ ওভারে ৪ উইকেটে ৬১ তোলে ইতালি। ১২তম ওভারে স্মাটস (২৪) আউট হওয়ার পর ইতালি ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে। শেষ ৬ ওভারে তাদের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭২ রান, হাতে ৫ উইকেট। কিন্তু পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি তারা। ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন ক্যারিবিয়ান পেসার শামার জোসেফ।
ছেলে ও মেয়েদের আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টি মিলিয়ে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এক ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ৪টি ক্যাচ নিলেন শামার। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে উইকেটকিপারদের বাইরে ফিল্ডার হিসেবে এক ম্যাচে পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবেও চারটি ক্যাচও নিলেন তিনি।
টসে হেরে আগে ব্যাট করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইডেনের ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে আরও বেশি রান তুলতে পারত। প্রথম ১০ ওভারে তাদের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৭৬। শেষ ১০ ওভারে তুলেছে ৪ উইকেটে ৮৯। অধিনায়ক শাই হোপ করেন ৪৬ বলে ৭৫। রোস্টন চেজ ২৪ এবং শেরফান রাদারফোর্ড ২৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। ‘সি’ গ্রুপ থেকে ৪ ম্যাচের সবগুলো জিতে ৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বিস্তারিত আসছে...।






