কারবালার মনস্তত্ত্ব: অন্যায়ের বিরুদ্ধে ‘না’ বলার সাহস
যেকোনো অন্যায্য ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের নীরব সম্মতির ওপর ভর করে। ইয়াজিদের ক্ষমতারোহণের সময় অধিকাংশ মানুষ নিরাপত্তার স্বার্থে বা বৈষয়িক কারণে চুপ ছিল।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
যেকোনো অন্যায্য ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের নীরব সম্মতির ওপর ভর করে। ইয়াজিদের ক্ষমতারোহণের সময় অধিকাংশ মানুষ নিরাপত্তার স্বার্থে বা বৈষয়িক কারণে চুপ ছিল।
মহররম মাসের ১০ তারিখ—আশুরা। কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকেই এই দিন মানবসভ্যতার বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একাধিক সংস্কৃতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করত।
হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা হিসেবেও পরিচিত। আরবি ‘আশারা’ শব্দের অর্থ দশ। আর আশুরা মানে দশম। মহররম অর্থ সম্মানিত।
সুন্দর পোশাক, কিছুটা আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য কিংবা পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রত্যাশা করা কোনো অপরাধ নয়। নবীজির স্ত্রীরাও কিছু অতিরিক্ত ভরণপোষণের আবেদন করতেন।
হিজরির কারবালায় উমাইয়া শাসনযন্ত্র ঠিক একই ধরনের একটি সুপরিকল্পিত তথ্য নিয়ন্ত্রণ চালিয়েছিল। কারবালার ঘটনা ছিল রাষ্ট্রীয় অপপ্রচার বনাম সত্যের লড়াই।
এআই আমলের গতি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে, এটা সত্যি। কিন্তু তাদাব্বুর—গভীর ভাবনা, সঠিক নিয়ত, বিচক্ষণতা—এটা এখনো সম্পূর্ণ আমাদেরই কাজ।
ইসলামি অধিবিদ্যায় একটি গভীর দার্শনিক বিকল্প রয়েছে। যাকে বলে ‘তাজাল্লিয়াতুল হক’। এখানে বাস্তবতা কোনো স্থির বস্তু নয়, বরং সে সম্ভাবনার স্তর থেকে নির্দিষ্ট রূপে প্রকাশিত হয়।
মৌলিক পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরা হলো; যা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে বৈষম্য হ্রাস পাবে, সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং সমাজে শান্তি ফিরে আসবে।
সামাজিক জীবনে পরনিন্দা, মানহানি, গালাগালি, অপবাদ দেওয়াসহ পাপ থেকে বেঁচে চলা জরুরি। না হলে বিনোদনের উপকরণ ব্যবহার ধর্মীয় বৈধতা হারাবে।
ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?
৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে হোসাইন (রা.) এমন কঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হন, যেখানে দৃশ্যমান বাস্তবতায় বিজয়ের সব পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।
কর্মক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা ও কর্মীর অধিকার নিশ্চিত করা ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল পেশাগত দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি বড় ইবাদত।