
হিন্দুকুশের পাদদেশে দুলে ওঠে মায়াবী দস্তর
যেখানে বিশ্বের অনেক দেশে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ে, সেখানে আফগান সরকার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা ভেবে দাম কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর

যেখানে বিশ্বের অনেক দেশে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ে, সেখানে আফগান সরকার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা ভেবে দাম কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এই দিনে মদিনা রাষ্ট্র রোমানদের হুমকির মুখে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছিল, অন্যদিকে সজাগ হয়েছে আন্দালুসের সীমান্ত এবং যাত্রা শুরু করেছে সেলজুক সাম্রাজ্য।

রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।

জার্মানির শহরগুলোতে এখন আর ইফতার কেবল ঘরের চার দেয়ালে বা মসজিদের ভেতরে সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে রাজপথে, এমনকি চার্চের আঙিনাতেও।

এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়।

রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।

রমজানে পাড়ায় পাড়ায় গণ-ইফতারের আয়োজন করা হয়। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পথচারী ও অভাবী মানুষের জন্য সাজিয়ে রাখা হয় ইফতারের বাক্স। একে বলা হয় ‘তাকাসুল’।


মুসলমানদের কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ অমান্য করলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও শাসকদের অপসারণের হুমকি দেওয়া হয় এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির ভয় প্রদর্শন করা হয়।

ইথিওপিয়ার রমজান কেবল মুসলিমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। রাজধানী আদ্দিস আবাবায় দেখা যায় যেখানে খ্রিষ্টান প্রতিবেশীরা তাদের মুসলিম সহকর্মীদের জন্য ইফতারের খাবার তৈরি করে আনছেন।

এই দিনে একদিকে যেমন মহান বিজয়ের পদধ্বনি শোনা যায়, তেমনি আধুনিক ইতিহাসের এক বিষাদময় অধ্যায় হিসেবে এটি ফিলিস্তিনের ‘নাকবা’ বা মহাবিপর্যয়ের সাক্ষী।

প্রবীণদের মেহমানদারিতে কেবল ঐতিহ্যবাহী আপ্যায়নই যথেষ্ট নয়; বরং তাঁদের বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং মানসিক সংবেদনশীলতার প্রতি বিশেষ যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।