অনলাইনে নারীর চরিত্র হনন: ইসলামের বিধান কী
কারও আচরণে আপত্তি থাকলে তা শালীন ভাষায় তুলে ধরা, প্রয়োজন হলে আইনগত সমাধান চাওয়া যায়। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া চরিত্র হনন ইসলামি নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
কারও আচরণে আপত্তি থাকলে তা শালীন ভাষায় তুলে ধরা, প্রয়োজন হলে আইনগত সমাধান চাওয়া যায়। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া চরিত্র হনন ইসলামি নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
একজন লেখক যখন কোনো ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের জন্য কনটেন্ট লিখে দেন, চুক্তি স্বচ্ছ এবং উভয় পক্ষের সম্মতি আছে—শরিয়তের দৃষ্টিতে এতে আপত্তির জায়গা নেই।
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
যারা আন্তরিকভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে, তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গড়তে চায়, আল্লাহ তাদের বঞ্চিত করেন না, বরং হেদায়েতের পথ সহজ করে দেন।
দুঃখকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার যে সহজাত প্রতিরোধ ক্ষমতা, মানুষ তা দিন দিন হারিয়ে ফেলছে এবং সামান্য আঘাতেই চিকিৎসকের চেম্বার বা থেরাপির দিকে ছুটছে।
পুঁজি ছাড়া ব্যবসার এই মডেল তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। ফলে ইসলামি ফিকহের একটি পুরোনো প্রশ্ন এখানে নতুনভাবে সামনে আসছে
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নিখুঁত মনে করা এবং অন্যকে অপূর্ণ মনে করা—এই দুটি মিলিয়ে যে সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে, সেটা সুস্থতার সংস্কৃতি নয়।
জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রক্রিয়া সব যুগেই ছিল—কখনো ঘটকের মাধ্যমে, কখনো পারিবারিক যোগাযোগে, কখনো সামাজিক অনুষ্ঠানে। মাধ্যম বদলেছে, প্রয়োজন বদলায়নি।
অনেক সময় আত্মীয়স্বজনের মধ্যেই দেখা যায় কেউ আমাদের কষ্ট দিচ্ছে, পেছনে কথা বলছে, ভুল বুঝছে কিংবা কোনো কারণে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।
দেনমোহরের ঘরে একটা বড় অঙ্ক লেখা হয়। বর স্বাক্ষর করেন, কাজি সাক্ষ্য লেখেন, অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। কিন্তু টাকাটা কি দেওয়া হয়? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উত্তর— না।
এই মাদ্রাসারই শ্রেষ্ঠ ফসল আবু হোরাইরা (রা.), যিনি সর্বোচ্চ হাদিস বর্ণনাকারী। অন্যদিকে কেয়ামত–পূর্ব সময়ের হাদিস সংরক্ষণে প্রসিদ্ধি পান হোজাইফা (রা.)।