কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার ৫ তাৎপর্য
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
সিরাতচর্চা কোনো মৃত ইতিহাস নয়, আমরা যদি একে তথ্যের খতিয়ান আর যুদ্ধের ইতিহাসের ফ্রেমে বন্দি রাখি, তা আবেগ জোগাবে ঠিকই, কিন্তু চরিত্র বদলাতে পারবে না।
একটি নদী দূষিত করা মানে কেবল পানির গুণগত অবনতি নয়; বরং সেই নদীর অস্তিত্বগত ভূমিকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। ফলে পরিবেশনীতি এখানে নৈতিকতারই সম্প্রসারিত রূপ।
গেমগুলো বাংলাদেশের তরুণদের কাছে এখন পরিচিত নাম। এগুলো খেলতে টাকা লাগে না, কিন্তু ভেতরে থাকা কেনাকাটার ব্যবস্থাটা এমনভাবে সাজানো যে খরচ হতে থাকে।
পাপ করে যেই অপরাধ করেছেন, আল্লাহ ছাড়া সেই ক্ষমা কোথায় পাবেন? কার কাছে চাইবেন? পবিত্র কোরআন নিশ্চয়তাও দিয়েছে, ক্ষমার দরজা সব সময় সবার জন্যই উন্মুক্ত।
ঘোষণা শেষ হতে না হতেই এক নারী দাঁড়িয়ে প্রশ্ন তুললেন। নারীটি বলেন, ‘হে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহর কিতাব বেশি অনুসরণযোগ্য, নাকি আপনার ঘোষণা?’
এই দিনের ফজিলত আল্লাহর কাছে এত বেশি যে কেউ যদি জুমার রাতে কিংবা জুমার দিবসে মারা যায়, আল্লাহ–তাআলা দয়া করে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।
একবার নবীজির কাছে এক সাহাবি এলেন নামাজের ওয়াক্ত জানতে। সাহাবিকে নবীজি মৌখিক উত্তর দিলেন না। যেতেও দিলেন না সেদিন। নিজের কাছে রেখে দিলেন দুই দিন।
হেরা গুহার সেই ‘ইকরা’র ডাককে পাড়ার পাঠকেন্দ্রর মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করার অভিজ্ঞতা এবং একটি আদর্শ মুসলিম পাঠকেন্দ্র গড়ে তোলার নির্দেশিকা।
কারও ব্যক্তিগত চ্যাটের কথোপকথন, বহু বছর আগের কোনো ভুল মন্তব্য, বা অসতর্ক মুহূর্তের কোনো বার্তার ছবি তুলে অনলাইনে ভাইরাল করে দেওয়া এখন নিত্যদিনের ঘটনা।
কারও আচরণে আপত্তি থাকলে তা শালীন ভাষায় তুলে ধরা, প্রয়োজন হলে আইনগত সমাধান চাওয়া যায়। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া চরিত্র হনন ইসলামি নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।