
কোরআনে যেভাবে নামাজের কথা বলা হয়েছে
‘নামাজ কায়েম’ বলতে কেবল দায়সারাভাবে পড়া নয়, বরং নামাজের নিয়ম-কানুন, সময় ও একাগ্রতা বজায় রেখে যথাযথভাবে আদায় করাকে বোঝানো হয়েছে।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর

‘নামাজ কায়েম’ বলতে কেবল দায়সারাভাবে পড়া নয়, বরং নামাজের নিয়ম-কানুন, সময় ও একাগ্রতা বজায় রেখে যথাযথভাবে আদায় করাকে বোঝানো হয়েছে।

কেউ যখন নিজের দুর্বলতা কিংবা কষ্টের কথা জানায়, তখন তা গোপন রাখা নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। প্রকাশ করা বা তা নিয়ে উপহাস করা বিশ্বাসভঙ্গের শামিল।

এই আমলটির ভিত্তি বা সংশ্লিষ্ট হাদিসটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে কিছু বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে হাফেজ ইবনুদ দিহিয়া এই হাদিসটিকে দুর্বল প্রমাণের চেষ্টা করেছিলেন।

সবচেয়ে নাটকীয় দৃশ্যটি তৈরি হবে যখন শয়তান তার অনুসারীদের ওপরই সব দোষ চাপিয়ে দেবে। বিচারের কাজ শেষ হয়ে গেলে শয়তান এক দীর্ঘ ভাষণ দেবে।

কোরআনের বিধান পরিবর্তন হওয়া মানে এই নয় যে আল্লাহ তাঁর সিদ্ধান্ত পাল্টাচ্ছেন, বরং এটি হলো মানবজাতির ক্রমবিকাশ ও পরিস্থিতির প্রয়োজনে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।

যখন একজন বান্দা পূর্ববর্তী নেক আমল করার পর পুনরায় নেক আমল করার তাওফিক পান, সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমল কবুলের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।

আমরা মনে করি কেবল নামাজ, রোজা, জাকাত বা হজের মাধ্যমেই এই মুক্তি সম্ভব। কিন্তু নবীজির একটি হাদিস আমাদের সামনে ভিন্ন এক দুয়ার খুলে দেয়।

প্রকৃত নিরাপত্তা কেবল তখনই সম্ভব যখন সমাজে ন্যায়বিচার বা আদল কায়েম থাকে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অর্থাৎ জুলুম বা অবিচার ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে।

‘এখনই ফলাফল চাই’—এমন মানসিকতা আমাদের সবার মধ্যেই আছে। প্রশ্ন হলো, এটি সামলাব কীভাবে? পবিত্র কোরআন এ প্রশ্নের চমৎকার সমাধান দিয়েছে।

এই জাতিকে আল্লাহ অল্প শ্রমে অধিক সওয়াব, জুমার নামাজ, নামাজের কাতার ফেরেশতাদের মতো হওয়াসহ এমন কিছু বিশেষত্ব দিয়েছেন, যা আগের জাতিগুলোর না।

অভাবীর কাছে অনেক সময় বাজারের জিনিসের চেয়েও বেশি মূল্যবান হয় সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী। ঘরোয়া নিত্যপণ্য অনেক সময় নগদ টাকার চেয়েও বেশি কাজে দেয়।

যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে আল্লাহর অত্যন্ত প্রিয় একটি ইবাদত করা যায় যা আমাদের অনেকেরই অজানা। আর তা হলো দোয়া করা।