যেভাবে আল্লাহকে ডাকলে মনে প্রশান্তি আসে
আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে অদৃশ্য সম্পর্ক তৈরি করে। তাঁর সান্নিধ্য লাভের পথ সুগম হয় এবং মানুষ সরল ও সঠিক পথে অবিচল থাকার শক্তি অর্জন করতে পারে।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে অদৃশ্য সম্পর্ক তৈরি করে। তাঁর সান্নিধ্য লাভের পথ সুগম হয় এবং মানুষ সরল ও সঠিক পথে অবিচল থাকার শক্তি অর্জন করতে পারে।
অতীতে একটি মাত্র হাদিস যাচাই করার জন্য অনুরাগী শিক্ষার্থীরা হাজার মাইল পথ সফর করতেন। খাতিব আল-বাগদাদি হাদিস সংগ্রহের সফর বিষয়ে পৃথক ইতিহাস সংকলন করেছেন।
নবী ইউনুসের কথা ভাবুন। গভীর সমুদ্রের অন্ধকার, রাতের অন্ধকার, মাছের পেটে দমবন্ধ অবস্থা, তিন স্তরের ঘুটঘুটে অন্ধকার। এখান থেকে বের হওয়া মানবীয় দৃষ্টিতে অসম্ভব।
মক্কার হারামে এক রাকাত নামাজের সওয়াব অন্য মসজিদের চেয়ে এক লাখ গুণ বেশি এবং মদিনার মসজিদে নববিতে এক রাকাত নামাজের সওয়াব এক হাজার গুণ বেশি।
লোকদেখানো উদ্দেশ্যমুক্ত হয়ে শুধুই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা। বাহ্যিকভাবে দুজন মানুষ একই কাজ করলেও নিয়তের পার্থক্যের কারণে আল্লাহর কাছে তাঁদের মর্যাদা বদলে যায়।
<p>ব্যর্থ হলেই আমরা হিসাব মেলাতে বসি, ‘আহা, আমি যদি সেদিন ওই পথটিতে না যেতাম!’, ‘আমি যদি আরেকটু সতর্ক হতাম, তবে হয়তো এমন ক্ষতি হতো না!’ এই যে অতীতমুখী অনুশোচনার গোলকধাঁধা তা মানুষকে মানসিকভাবে...
ভালো কাজের মাধ্যমেও ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব, যদি তাতে নিষ্ঠা থাকে। রাসুলের কাছে একবার বলা হলো যে এক ব্যক্তি রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে কিন্তু সকালে চুরি করে।
পবিত্র কোরআনে বহু জাতির উত্থান-পতনের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। তবে এসব ঘটনার মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ইতিহাসও রয়েছে, সেটি হলো ইউনুস (আ.)-এর সম্প্রদায়ের ঘটনা।
অকারণে জামাত ত্যাগ করা মোনাফেকের লক্ষণ। আমাদের উচিত ভয় ও ভক্তির সঙ্গে মসজিদে গিয়ে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করা এবং পরিবারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
প্রশ্নটা হলো, হাদিসের ‘দেখা’কে কি ‘চোখে দেখা’ মানতে হবে, নাকি বৈজ্ঞানিক হিসাবের মাধ্যমেও তা পূরণ হতে পারে? কেউ বলেছে, সরাসরি চাঁদ দেখা বাধ্যতামূলক।
আমরা ‘অবসর’ বলতে যা বুঝি, তার বাহ্যিক আর ভেতরের বাস্তবতার মধ্যে বিরাট ফারাক থাকে। ইসলাম সময় আর অবসরের ধারণাটাকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখে।
সচেতন মুসলমানের উচিত এই মাসকে ভয় না করে স্বাভাবিকভাবে আল্লাহর আনুগত্যের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করা, প্রয়োজনীয় কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা বিয়েশাদি নির্দ্বিধায় সম্পন্ন করা।