ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রে পরিবেশের নৈতিক দায়
ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, পরিবেশ ধ্বংস কেবল আইনগত অপরাধ নয়, বরং এটি অস্তিত্বগত বিশ্বাসঘাতকতা। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা মানুষের নৈতিক জিম্মাদারি।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, পরিবেশ ধ্বংস কেবল আইনগত অপরাধ নয়, বরং এটি অস্তিত্বগত বিশ্বাসঘাতকতা। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা মানুষের নৈতিক জিম্মাদারি।
ইসলামে বুদ্ধি হলো সেই আধ্যাত্মিক ও নৈতিক বিবেক, যা মানুষকে ক্ষণস্থায়িত্বের মায়া কাটিয়ে চিরন্তন সত্য ও অনন্ত জীবনের প্রস্তুতিতে পরিচালিত করে।
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষের বিভিন্ন শ্রেণির যে সূক্ষ্ম চরিত্রচিত্রণ তিনি তুলে ধরেছেন, তা মানবচৈতন্যকে নাড়া দেওয়ার মতো এক অতুলনীয় আধ্যাত্মিক দর্পণ।
মানবজীবনের স্বাভাবিক মনোদৈহিক ছন্দ ও আত্মিক প্রশান্তি অক্ষুণ্ণ রেখে কীভাবে একজন মানুষ কর্মক্ষম ও উৎপাদনশীল থাকতে পারে, ইসলামে রয়েছে তার সুস্পষ্ট রূপরেখা।
ঘুমের আগে অজু করার সুন্নাহ, এর মানসিক প্রশান্তিদায়ক প্রভাব এবং হাদিসের আলোকে এর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নিয়ে বিশ্লেষণ।
মানুষের মর্যাদাই মূল বিবেচনা। ফলে চুল শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তার সঙ্গে মানুষের দেহের অংশ হিসেবে যে সম্মানের সম্পর্ক ছিল, তা পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায় না।
দ্বিতীয় শাম সফর থেকে ফেরার দুই-আড়াই মাস পর এই বিবাহ সম্পন্ন হয়। সিরিয়ার বুসরা থেকে গ্রীষ্মকালীন কাফেলাটি মক্কায় ফিরে আসে আনুমানিক আগস্ট ৫৯৫ খ্রিষ্টাব্দে।
খলিফা ওমরের আমলে সংঘটিত দুটি যুদ্ধ ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিয়েছিল—প্রথমটি ইরাকের মাটিতে সংঘটিত ‘কাদিসিয়ার যুদ্ধ’; আর দ্বিতীয়টি ইরানের পাহাড়ি প্রান্তরের ‘নাহাওয়ান্দ’।
পিপাসায় কাতর মানবজাতি যখন একটু শীতল পানির জন্য ব্যাকুল থাকবে, তখন মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নবীজির উম্মতের জন্য অপেক্ষা করবে এক অনন্য নেয়ামত—হাউসে কাউসার।
‘উম্ম’ অর্থ মা। সাধারণত কারও কুনিয়াত ‘উম্মে অমুক’ হলে ধারণা করা হয়, অমুক তাঁর সন্তান। কিন্তু আয়েশা (রা.) আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইরের মা ছিলেন না, ছিলেন তাঁর খালা।
‘আসহাবে কাহাফ’ মানবজাতির প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তের এক শাশ্বত মনস্তাত্ত্বিক পাঠ—কীভাবে নিরেট তাওয়াক্কুল ও অবিচলতা প্রতিকূলতম পরিস্থিতিকেও স্বর্গীয় শান্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
তিনি ছিলেন মদিনার আলেম। সম্মান করে তাঁকে বলা হতো হিজরতের শহরের ইমাম। তিনি মদিনার ফিকহি ঐতিহ্যের প্রধান রূপকার এবং মালেকি মাজহাব’-এর প্রতিষ্ঠাতা।