
নির্বাচনী কড়চা-৫
আমি তাঁদের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করি—ভোট দেবেন কাকে? একজন বলে, আপনি বলেন, কাকে ভোট দেব? এমন পাল্টা প্রশ্নে আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে যাই।
এই বিভাগের সকল সংবাদ

আমি তাঁদের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করি—ভোট দেবেন কাকে? একজন বলে, আপনি বলেন, কাকে ভোট দেব? এমন পাল্টা প্রশ্নে আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে যাই।

বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে যুক্ত করা হলো। দর্শকশূন্য গ্যালারি কি আইসিসির ভুল সিদ্ধান্তের নীরব প্রতিবাদ নয়?

‘দিনে কয়েকবার করে ভোট চাইতে আসে, তবে কাউকে বলিনি, ভোট কাকে দেব,’ তাঁর সাবলীল উত্তর।

আমিই নজরুল–এর আয়োজনে ‘শতবর্ষে কাজী নজরুলের লাঙল’ শীর্ষক গান, কবিতা ও আলোচনা অনুষ্ঠান গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে নজরুল চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

একটি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে তার স্বচ্ছতার ওপর। নির্বাচনে কোনো কারচুপি হচ্ছে কি না, ভোটাররা ভয়ভীতিহীন পরিবেশে ভোট দিতে পারছেন কি না—এসব নিশ্চিত করতে ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ’ একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি।

মোহাম্মদপুরের দিকে হাঁটা দিই। সত্যি কথা বলতে কি, এদিকে এলেই কেন যেন গা ছমছম করে। এখানে চুরি-ছিনতাই নৈমিত্তিক ব্যাপার। তা ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলার সবচেয়ে বেশি অবনতি হওয়া এলাকার মধ্যে মোহাম্মদপুর অন্যতম।

২০২৬ সালে এসেও রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনীর জন্য জুলাই সনদ প্রশ্নে গণভোট আহ্বান করা হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত এবং পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যই এই গণভোটের ভিত্তি।

শিক্ষা, চিকিৎসা, গবেষণা ও শিল্প—সবখানেই এআই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় এআই ব্যবহারের অভিযোগ সেই সংকটকে সামনে দিয়েছে সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গায়—মেধা যাচাইয়ের ব্যবস্থায়।

বাংলায় স্নাতক পাস করে আমাদের স্কুলে যোগ দেন গত শতকের আশির দশকে। আমাদের ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে ইংরেজি ২য় পত্র পড়িয়েছিলেন। অসম্ভব সুন্দর ছিল তাঁর কথা বলার ধরন। তাঁর শুদ্ধ উচ্চারণ আমাদের মুগ্ধ করত।

শুনানির সময় জানা গেল ওই ব্যক্তির নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে, অফিসের সব কাগজপত্রে নমিনির নাম থেকে তাঁর সন্তানদের নাম কর্তন করে তাঁর নতুন স্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কাকে বিশ্বাস করবেন? জন্মদাতা পিতার বিরুদ্ধেও অভিযোগ নিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় এসে দাঁড়াতে হয়।

প্রযুক্তি মানুষকে হারতে দেবে না। সুতরাং আমরা পোর্টেবল ট্রান্সলেটরের সাহায্যে তার সঙ্গে কথা বলা শুরু করি। সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় আমরা বুঝলাম যে আধঘণ্টার ভেতরে সে আমাদের হোটেলে নিয়ে যাবে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল পাল্লার দাপটে সেই ঐতিহ্যবাহী যন্ত্রটি আজ প্রায় বিলুপ্ত। এখন তা কেবল জাদুঘর বা স্মৃতির পাতায় ঠাঁই পাচ্ছে।