ইরান চুক্তি আসলে গোটা অঞ্চল পুনর্গঠনের নকশা
১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে অস্থায়ী কাঠামোগত সমঝোতা ঘোষণা করা হয়েছে, তা কেবল স্থবির হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা নয়।
মতামত ও বিশ্লেষণ
১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে অস্থায়ী কাঠামোগত সমঝোতা ঘোষণা করা হয়েছে, তা কেবল স্থবির হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা নয়।
বর্তমান দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ ফুটবল। বিশ্বকাপ এতটাই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু যে যুদ্ধের মতো বিষয়কেও তা ছাপিয়ে যায়।
এ মুহূর্তে যে মাদকটির বিস্তার গোটা দেশের তরুণসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, তা হলো ইয়াবা।
দেশীয় ও বিদেশি উভয় ধরনের উপযুক্ত প্রজাতির সমন্বয়ে গঠিত মিশ্র বনায়ন অনেক ক্ষেত্রে অধিক টেকসই ফল দিতে পারে।
ফার্নান্দো ক্যাসাল বের্তোয়া নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব পলিটিকস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসের সহযোগী অধ্যাপক।
স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে সাধারণত দুইভাগে ভাগ করা হয় গ্রামীণ বনাম নগর স্থানীয় সরকার।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) দুর্নীতির ধারণাসূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে অবনমন ঘটেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার গহিন বনে কচুর মুখি চাষের জন্য যেভাবে মাইলের পর মাইল বন পুড়িয়ে ন্যাড়া করা হচ্ছে, তা কেবল উদ্বেগজনকই নয়; পরিবেশের ওপর এক অপূরণীয় আঘাত।
দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেছে। তবে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন পক্ষ থেকে চুক্তিটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থী ইরানবিরোধীরা একে একটি একপেশে চুক্তি হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দলই একে একটি ‘বাজে চুক্তি’ হিসেবে গণ্য করছে।
দুই ছেলে, এক ভাতিজি ও পৈতৃক বাড়ির নামে চারটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে সম্প্রতি সমালোচনার মুখে পড়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি নামকরণের ঘটনাকে ‘মিরাকল’ (অলৌকিক) বলে দাবি করেছেন।
শুধু বিচার নয়, দ্রুত বিচার সবাই চায়। বছরের পর বছর বিচার বিলম্বিত হওয়ায় বিচারপ্রার্থীরা হতাশ। দ্রুত বিচার না করার ফলে আমাদের স্মৃতিতে থাকা কয়েকটি মামলায় বিচার আদালতে দণ্ডিত আসামিরা দিনের পর দিন কাটিয়ে দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।