এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা তুলতে বেগ পেতে হবে কেন
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নিয়মিত মাসিক পেনশনের ব্যবস্থা নেই।
মতামত ও বিশ্লেষণ
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নিয়মিত মাসিক পেনশনের ব্যবস্থা নেই।
খেলার মাঠের সীমানা ছাড়িয়ে এক চরম বৈপরীত্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ।
গত সপ্তাহে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সেক্রেটারি হিলারি বেন এই প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘কারও গায়ের রঙের ওপর ভিত্তি করে যদি আপনি তাকে আক্রমণ করেন, তবে একে বর্ণবাদী গুন্ডামি ছাড়া আর কী বলবেন?’ কথাটি সত্যি।
পৃথিবীর বহু দেশে আজ লোকশিল্প, মৃৎশিল্প, কাঠের কাজ কিংবা স্থানীয় কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রাকেই ‘ডিকার্বোনাইজেশন’-এর বড় অস্ত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আমরা এমন একটি প্রজন্ম চাই, যারা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করবে না; বরং তারা হবে মানবিক, নান্দনিক, আধুনিক ও আত্মবিশ্বাসী। পূর্ণরূপে বিকশিত আর আনন্দিত শৈশবই পারে আগামী দিনের সহনশীল, মানবিক ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে। আমরা সেই প্রজন্মের পথ চেয়ে আছি। তাই চিত্র, গীতি, সুর ও ছন্দে বিকশিত হোক আমাদের প্রতিটি শিশুর শৈশব।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে আবেগ, ঐতিহাসিক স্মৃতি, দলীয় অবস্থান বা জনমতের তাৎক্ষণিক চাপ দিয়ে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করা কঠিন।
সম্প্রতি ২৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ পুনর্গঠনের আলোচনায় প্রতিষ্ঠানটির নাম উঠে আসায় নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—সিটি গ্রুপের মতো একটি প্রতিষ্ঠিত ও সফল ব্যবসায়িক গোষ্ঠী কীভাবে এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছাল?
বিগত দুই দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্য অনস্বীকার্য। তবু স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির এই আখ্যানের আড়ালে লুকিয়ে আছে একটি মৌলিক দুর্বলতা, যা সেই অগ্রগতির স্থায়িত্বকে (তথা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট) হুমকির মুখে ফেলছে।
কুয়ালালামপুর, ২২ জুন ২০২৬: সোমবার সকালে পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘পেরদানা পুত্রা’য় এক বিরল দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।
স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে বাস্তব প্রশ্ন হলো—এই বাজেট কি আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারবে, নাকি এটি শুধুই আরেকটি সংখ্যাগত বৃদ্ধি হয়ে থাকবে?
‘স্পিড মেন্টরিং’ শব্দটির সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল না। ২০১৮ সালের অক্টোবরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত শোয়ার্জম্যান-রোডস সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণের সময় আয়োজকেরা যখন আমাকে কয়েকজন তরুণ স্কলারকে মেন্টরিং করার অনুরোধ করেন, তখনই প্রথম এ ধারণার সঙ্গে পরিচিত হই।
কূটনৈতিক সম্পর্কের কিছু মুহূর্ত আসে, যা শুধু আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের অংশ নয়, বরং ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তনের অনন্য সুযোগ তৈরি করে।