শিশুধর্ষণে শৈথিল্য দেখানোর সুযোগ নেই
দেশে শিশুধর্ষণের মামলায় ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি। পরিচিতদের হাতে শিশুদের নিরাপত্তাহীনতা, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘায়িত জটিলতা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান।
মতামত ও বিশ্লেষণ
দেশে শিশুধর্ষণের মামলায় ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি। পরিচিতদের হাতে শিশুদের নিরাপত্তাহীনতা, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘায়িত জটিলতা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বন দস্যুদের হাতে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে সরকারের অবিলম্বে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ ও যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের মস্কো ও কিয়েভ সফর অনেকগুলো প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যার উত্তর এখনো অজানা। দুই দেশের বৈঠকেই ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ পায়নি; তবে অংশগ্রহণকারী সব পক্ষই আলোচনাকে ‘ইতিবাচক’ বলে বর্ণনা করেছে।
৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে লেখক দিলওয়ার আরিফ তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পশ্চিমা সমাজে মুসলিমদের প্রতি সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ও অবিশ্বাসের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, গৎবাঁধা নেতিবাচক ধারণা পরিহার করে পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন এবং সেতুবন্ধন গড়ে তোলাই বর্তমান প্রয়োজন।
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের নতুন সংশোধনীর উদ্দেশ্য ইতিবাচক হলেও প্রয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু অস্পষ্টতা রয়ে গেছে, যা দূর করা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
অসুস্থ হলে চিকিৎসা গ্রহণ করা ইবাদত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ–তাআলা রোগ দেন, রোগের প্রতিষেধকও নাজিল করেন। প্রতিটি রোগের চিকিৎসা রয়েছে।’
আজ সৌদি আরব যেন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। পেছনে আছে ঐতিহ্যের দীর্ঘ ইতিহাস; সামনে আছে ভবিষ্যতের উজ্জ্বল সম্ভাবনা।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ সেই ঘটনার সময় জন্মগ্রহণ না করলেও ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলা এবং এর ধারাবাহিকতায় সংঘটিত ঘটনাবলির প্রভাব জ্ঞাত-অজ্ঞাতে তাঁদের জীবনে আজও উপস্থিত।
এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোনো স্থায়ী ক্যাম্পাস। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে উপাচার্য এবং কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে ভাড়া করা স্থাপনায় ও অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান চলছে।
সন্দ্বীপে সরকারি বরাদ্দকৃত দুটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স অচল থাকায় মুমূর্ষু রোগীদের জরুরি চিকিৎসায় ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানে নির্ভর করতে হচ্ছে, যা অকালমৃত্যুর কারণ হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়াকে চরম পতনের দিকে ধাবমান একটি শক্তি হিসেবে দেখে আসছে। ১৯৮০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও সাম্রাজ্যবাদী বিস্তারের স্পষ্ট সংকট প্রকট হওয়ার পর থেকেই এই ধারণার জন্ম। পরবর্তী সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্য দিয়ে তা আরও পাকাপোক্ত হয়।
এআই ট্রেন্ডে আশির দশকের নস্টালজিয়া ফিরলেও এর পেছনে পরিবেশগত খরচ, বিশেষ করে পানির অপচয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।