কী যেন
মুহূর্তরা হারিয়ে না গেলে দিতে পারত সাক্ষ্য
এই বিভাগের সকল সংবাদ
মুহূর্তরা হারিয়ে না গেলে দিতে পারত সাক্ষ্য
মাধ্যমগতভাবে প্রদর্শনীতে রয়েছে ৬০টির বেশি কোলাজ, ১৫–১৮টি মিশ্র মাধ্যম ড্রয়িং ও ইংক ওয়ার্ক, সীমিত কিছু ছাপাই বা এচিং এবং শেষ পর্যায়ে অয়েল প্যাস্টেল ও কাগজে তেলরঙের কাজ।
শোনো—জ্যোৎস্নার টুপি পরা অভিসারী ঘুঘুদের ধূলিপিণ্ড আয়না—রাস্তা পেরোলেই দেখবে একটি স্বপ্ন দীক্ষিত মেধাবী বিড়াল আপেল খাচ্ছে একাকী।
সৃজনে আনন্দ, সৃজনে আয়, সৃজনই সবকিছু। অন্য কোনো পেশা নেই। এ ধরনের মানুষের দীর্ঘ আয়ুর প্রয়োজন। অনেক অনেক কাল বেঁচে থাকুন, ভাই ধ্রুব এষ।
সবাই অনায়াসে নিজের জন্মতারিখ, মাস, বছর বলে যায়। হালিমা গভীর বিস্ময়ে সবাইকে দেখে। ওদের প্রত্যেকের একটা জন্মদিন আছে। শুধু ও জানে না ওর জন্ম কবে হয়েছিল!
লোকে বলে, জল ভাটিতে গড়ায়, দেশ ভরে গেছে খরা ও চরায়, মরু-সাহারার হাহাকারে-বাঁচা বৃক্ষের মূলে মাটি-জল নাই—
বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার, নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।
‘কামাইতাচি’ একধরনের আত্মগত দলিল—যেখানে লোককথা, পারফরম্যান্স আর্ট এবং ব্যক্তিগত আত্মশুদ্ধির অভিজ্ঞতা একাকার হয়ে গেছে।
ঠুমরি এক দীর্ঘ, ধীর এবং ধারাবাহিক বিবর্তনপ্রক্রিয়ার ফল, যা গুপ্ত যুগ (খ্রিষ্টীয় চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শতক) পর্যন্ত প্রসারিত, তারও আগে হতে পারে।
পানি ভাঙা, ব্যথা ওঠা—ইত্যকার নানা কথা শুনেছে পরি। পেটের ভেতর ছোট মানুষটা একটু নড়ে উঠলেই তাই সে বলত, আরেকটু অপেক্ষা করো। পানি ভাঙুক।
কারণ আমার শীতের পোশাক রেখে এসেছি মন-খারাপ-করা শীতবরফের দেশে!
নাজিম হিকমতের একেকটা কবিতার লাইন আমাকে একেকটা আলাদা জীবন দান করেছে। আমি কী করে যে তাঁর সামনে যাই! তাঁর প্রিয় কে জানি না, আমার প্রিয়তম তিনি।