অন্য আলো

এই বিভাগের সকল সংবাদ

৮০ বছর পর মিলল হিরোশিমার প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা

৮০ বছর পর মিলল হিরোশিমার প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা

প্রায় ৮০ বছর আগে লেখা হিরোশিমা পারমাণবিক বোমা হামলার এক প্রত্যক্ষদর্শীর স্মৃতিকথা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আর্কাইভে সেটি খুঁজে পাওয়া গেছে। এবার প্রথমবারের মতো বই আকারে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে সেই মূল্যবান দলিল। শুধু তা–ই নয়, স্মৃতিকথাটি অবলম্বনে নির্মিত হবে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও। ‘হিরোশিমা, ৮: ১৫’ শিরোনামে এই স্মৃতিকথার লেখক কিয়োশি তানিমোতো। ১৯৪৭ সালে তিনি ২৩০ পৃষ্ঠার বইটি লিখেছিলেন। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমার ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ তিনি নিজের চোখে দেখেছিলেন। সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতাই তিনি তুলে ধরেছিলেন লেখায়।

৫ জুলাই, ২০২৬ এ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
তোমার ঘ্রাণে

তোমার ঘ্রাণে

ছাতার শহর, রাতের প্রহর, তোমার কেনা মিথ্যে শোকে ঘ্রাণ মিশে যায় গায়ে গায়ে যেমন চেনা অন্য লোকের মিলিয়ে গেছে, যায়নি পাওয়া তোমার গায়ের সমস্ত ঘ্রাণ একটা শহর ব্যস্ত তখন হারিয়ে যাওয়ার খুব অভিমান।

৫ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ
মানুষ

মানুষ

সীমান্তের ওপারে অস্ত্রধারী রক্ষীরা শত্রু ঠাওরে একদল নারী–পুরুষকে ঠেলে দিল সীমান্তের এপারে এপারে দণ্ডায়মান রক্ষীরাও প্রস্তুত ছিল, সাফ জানিয়ে দিল, ‘ওরা আমাদের কেউ নয় ’ চারপাশে প্রতিধ্বনি ওঠে—‘ওরা আমাদের কেউ নয়’।

৫ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
হাসপাতালে গালিব

হাসপাতালে গালিব

অ্যাটেনডেন্ট কেবিনে পেশেন্টের কাছে ফিরে গেলেন। গিয়ে দেখেন হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে পেশেন্ট বিছানায় শুয়ে আছে। তিনি বুঝতে পারলেন না একই সময়ে একজন মানুষ দুই জায়গায় কীভাবে থাকে! আমরা শুধু জানতে পারলাম অ্যাটেনডেন্ট অজ্ঞান হয়ে গালিবের বেডের পাশে ফ্লোরে পড়ে আছেন। ঘটনা জেনেছি তার জ্ঞান ফেরার পর।

৪ জুলাই, ২০২৬ এ ১:২৩ অপরাহ্ণ
সময় ও মানুষের গল্প

সময় ও মানুষের গল্প

জহির রায়হান সম্পর্কে কৌতূহল দিন দিন বাড়ছে। এ সংকলন পাঠের মাধ্যমে দীর্ঘদিন অনাবিষ্কৃত জহির রায়হানের সৃষ্টিশীলতা ও শিল্পমানসের এক নতুন দিগন্ত পাঠক-গবেষকদের সামনে উদ্ভাসিত হবে সন্দেহ ব্যতিরেকে।

৪ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
সত্যযুগ

সত্যযুগ

‘রাখেন আপনার আনাজপাতি। আপনার বন্ধুর সাথে কথা বলেন।’ বে ফোন নিয়ে বলল, ‘হারামজাদা!’ পপাই দ্য সেইলরের মতো হাসলাম। আর কী করব? আমি অধিকাংশ সময় মিথ্যা কথা বলি। মোবাইল ফোনে নাইনটি নাইন পার্সেন্ট বলি। মোবাইল ফোন অফ করে দিলাম। এখন আমি আর অতনু কথা বলব। সারা রাত কথা বলব। দশ বছর আগে মরে গেছে অতনু, তার সঙ্গে মিথ্যা কথা বলা যায় না।

৪ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
বুদ্ধির মুক্তির অবিচল পথিক

বুদ্ধির মুক্তির অবিচল পথিক

মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও তার ভাবাদর্শ অবলম্বন করে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ও ‘শিখা’ পত্রিকা প্রকাশের শত বছর পূর্ণ হলো ২০২৬ সালে। পাশাপাশি অধ্যাপক আবুল ফজলের জন্মদিন ছিল ১ জুলাই। এ উপলক্ষে তাঁর পুত্রের স্মৃতিচারণা।

৩ জুলাই, ২০২৬ এ ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রাজিলের জার্সি

ব্রাজিলের জার্সি

পরদিন তিনি ওয়াহিদুল গনিকে সঙ্গে করে নড়াইল গেলেন। অনেক খুঁজে পেতে জাহান ভূ-চিত্রাবলী আর কত দেশ, কত দিগন্ত কিনলেন। ওয়াহিদুল গনি অকৃতদার, তদুপরি বিশ্বপর্যটক। শীতের মৌসুমে সাইকেল নিয়ে নড়াইল নয়তো দৌলতপুর চলে যান। যখন ফিরে আসেন, বাবলুর জন্য কত কী যে নিয়ে আসেন—পেন্সিল শার্পনার, স্ট্যাপলার, কলম। ছেলেটির আবার এসব জিনিসে দারুণ শখ। বাবলু—আবুল কালামের ছেলে—বাবাকে বলে, বাবা, তুমি যখন নড়াইল-টড়াইল যাও, গনি চাচার সঙ্গে যাবে, আর কারও সঙ্গে না। ব্যস। বুঝেছো?

৩ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
জগৎ ও মহাজগতের সংলাপ

জগৎ ও মহাজগতের সংলাপ

সেই অর্থে এই প্রদর্শনীকে বলা যায় জাগতিক ও মহাজাগতিকের মধ্যে এক সৃজনশীল সেতুবন্ধের শিল্পভাষা। রাজধানীর সফিউদ্দিন শিল্পালয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী শিল্পগুরু সফিউদ্দিন আহমেদের ১০৪তম জন্মবার্ষিকীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। তবে এই শ্রদ্ধা নিছক আনুষ্ঠানিক নয়; বরং একজন শিল্পীর আত্ম–অনুসন্ধানী যাত্রার মধ্য দিয়ে আরেক শিল্পগুরুকে স্মরণ। গত ২৬ জুন শুরু হওয়া প্রদর্শনীটি ৫ জুলাই পর্যন্ত দর্শকদের জন্য খোলা থাকবে।

৩ জুলাই, ২০২৬ এ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সক্রেটিস কি স্বৈরাচারের দোসর ছিলেন

সক্রেটিস কি স্বৈরাচারের দোসর ছিলেন

এখন এ ঘটনার রাজনৈতিক কাঠামোটিকে আরও স্পষ্টভাবে দেখা দরকার। সক্রেটিসের মৃত্যু কোনো দুর্ঘটনা ছিল না, এটি ছিল একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ফল। এ প্রক্রিয়ার নাম দেওয়া যায় ‘দোষারোপের রাজনীতি’ বা পলিটিকস অব স্কেপগোটিং (বলির পাঁঠা বানানোর রাজনীতি)। প্রতিটি শাসন পরিবর্তনের পর একটি নতুন শাসন তার বৈধতা প্রমাণ করতে চায় পুরোনো শাসনের সঙ্গে যুক্ত কাউকে শাস্তি দিয়ে। কিন্তু যখন আইনি জটিলতায় প্রত্যক্ষ অপরাধীদের ধরা যায় না, তখন দরকার হয় প্রতীকী শিকারের। সক্রেটিস সেই প্রতীক হয়েছিলেন কয়েকটি কারণে।

২ জুলাই, ২০২৬ এ ১:১৬ অপরাহ্ণ
আমরা যে ফুটবলের প্রেমে পড়েছিলাম

আমরা যে ফুটবলের প্রেমে পড়েছিলাম

১৯৯৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। জুলাই মাসের এক ভোর। টাইব্রেকারের শেষ শটটি জালে জড়াতেই হৃদপুর বন্দরের রাস্তায় নেমেছিল ব্রাজিল ফুটবল উৎসব। মিছিলটা বেরিয়েছিল তৈবরদার বাড়ির সামনে থেকে। সামনে তবারক কাকু। পরনে ক্যানারি হলুদ জার্সি। হাঁটু পর্যন্ত হাফপ্যান্ট। পায়ে ফুটবল বুট। দুই হাতে বুকের কাছে আগলে রাখা একটি ফুটবল। দেখে মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপটা রোমারিও নয়, তিনিই জিতে ফিরেছেন।

২ জুলাই, ২০২৬ এ ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ